ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে হায়ার করতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া?

২১ পঠিত ০ ... ১১:৫৯, অক্টোবর ২৪, ২০২৬

সেই ১৯৫৩ সাল থেকে শুরু….

সেই চুক্তি থেকে জ্বলছি–বলছিলেন উত্তর আর দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানরা। ঐতিহাসিকভাবে দুই দেশই সীমান্তে শক্তিশালী লাউডস্পিকার ব্যবহার করে আসছে। দিন পাল্টায়, রং বদলায় কিন্তু তাদের মন দিনকে দিন আরও অস্থির হয়। সাময়িকভাবে কিছুদিন এই লাউড স্পিকার বন্ধ ছিল। কিন্তু গান পাগল উত্তর কোরিয়া আবার লাউড স্পিকার বাজানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তে।

কিন্তু জবাবে দক্ষিণ কোরিয়া এবার আর লাউড স্পিকার নয়–সমগ্র কোরিয়া, আমেরিকা, রাশিয়া, চীন, আফ্রিকা ও আমাজন বাংলাদেশের খোদ ব্রাহ্মণবাড়িয়াকেই ধার হিসেবে চেয়েছে।

এ ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং বলেন, ওরা লাউড স্পিকারে কী সব গান বাজায়! ভালো লাগে না। আমার পছন্দ ডিজে আলমগীরের গান। প্লেলিস্টে সবসময় বরিশালের লঞ্চ, পোলাতো নয় সে তো আগুনের গোলা আর ফাইট্টা যায় রাখি। গানগুলো প্রাণে শক্তি সঞ্চয় করে। এসব গান বাজালেও কিছু বলতাম না। কিন্তু এখন আর চুপ থাকবো না। এর দাঁত ভাঙা জবাব দেব। উত্তর কোরিয়ায় ডেন্টিস্ট‌ও তেমন নেই। বুঝবে ঠ্যালা।

তিনি আরোও বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দেশীয় অস্ত্র নিয়ে যেকোনো পরিস্থিতিতে লড়াইয়ের মানসিকভাবে আমায় মুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে টেঁটা, এককাট্টা, সড়কি, বল্লম নিয়ে টর্চ জ্বেলে, ফ্ল্যাশ অন করে ঝাঁপিয়ে পড়া…এটাই তো আমার দরকার। আমার লোকজন ইতোমধ্যে তাদের সাথে যোগাযোগ করেছে।

শুনেছি তাদের দেখামাত্র ধাওয়া করে দুই কিলোমিটার পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিল। চিনতে পারেনি। ভেবেছিল পাশের গাঁয়ের আব্দুর রহিমের ছাওয়ালরা। এটা আমার মুগ্ধতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। যেভাবেই হোক, উত্তর কোরিয়াকে হারাতে ওদেরকে আমি পাশে চাই।

নাম প্রকাশ করার শর্তে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক দায়িত্বশীল ব্যক্তি বলেন, গান? উত্তর কোরিয়া দেখবে; 

তাদের দিন শেষ,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কোরিয়ার বাংলাদেশ–আরে ধুর... কী কইতে কী কই!

২১ পঠিত ০ ... ১১:৫৯, অক্টোবর ২৪, ২০২৬

Top ​