শুধু বিশ্ব কেন? সুযোগ পেলে খেলাপি ঋণে বাংলাদেশকে আমরা মহাবিশ্বের ১ নম্বর দেশ বানাব: এস আলম

পঠিত ... ১ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে

18 (23)

খেলাপি ঋণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে যখন চারদিকে লজ্জা, হতাশা আর দীর্ঘশ্বাস, ঠিক তখনই আশার আলো দেখছেন দেশের ঋণখেলাপিরা। তাঁদের ভাষ্য, লজ্জা কিসের? বিশ্বে এক নম্বর হওয়া কি চাট্টিখানি কথা?

ঋণখেলাপিদের সর্দার এস আলমের ভাষায়, ঋণখেলাপি কোনো সাধারণ ব্যাপার নয়, এটি একটি শিল্প। যেমন সবাই রবীন্দ্রসংগীত গাইতে পারে না, সবাই ছবি আঁকতে পারে না, তেমনি সবাই ব্যাংক থেকে বিশাল অঙ্কের টাকা নিয়ে সেটার হদিস ভুলে যেতে পারে না। তবে সব শিল্পীর পক্ষে এই শিল্পে সফল হওয়া সম্ভব নয়। এর জন্য লাগে প্রতিভা, সাহস, ব্যাংকের সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং অসাধারণ আত্মবিশ্বাস।

তিনি আরও বলেন, আমার অনেক ঋণখেলাপি ভাই আমাকে এই শিল্পের পিকাসো বলেন। এখানেই অবশ্য পিকাসোর আত্মা যদি কোথাও থেকে থাকে, তিনি হয়তো একটু অস্বস্তিতে পড়ে যাবেন এই কথা শুনে। তবে আমি এই উপাধি মেনে নিয়েছি। কারণ, পিকাসো ক্যানভাসে যতটা বিমূর্ততা সৃষ্টি করেছিলেন, ঋণখেলাপি হিসেবে আমিও বিমূর্ততা সৃষ্টি করেছি ব্যাংকের হিসাবের খাতায়। আর শুধু বিশ্ব কেন? সুযোগ পেলে খেলাপি ঋণে বাংলাদেশকে আমরা মহাবিশ্বের ১ নম্বর দেশ বানাব।

তবে মহাবিশ্বে কীভাবে এক নম্বর ঋণখেলাপি হবে, সে ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মহাবিশ্বে এক নম্বর হতে গেলে শুধু পৃথিবীর ব্যাংক দিয়ে তো আর হবে না। ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে শাখা খুলতে হবে। চাঁদে এটিএম বসাতে হবে। বৃহস্পতির উপগ্রহে নতুন ঋণ প্রকল্প চালু করতে হবে। তারপর সেখান থেকে ঋণ নিয়ে নেপচুন কিংবা প্লুটোতে পালিয়ে যেতে হবে। আর এভাবেই একদিন মহাবিশ্বের সব ব্যাংক হয়তো বুঝতে পারবে, ঋণ নেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়ার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় জাতি।

পঠিত ... ১ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে

Top