মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে দাঁড়াতে চায় ট্রাম্প

পঠিত ... ১ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে

 

নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়া এলাকায় রাবেয়া এগ্রো ফার্মে দেখা মিলেছে এক ডোনাল্ড ট্রাম্পের। এলবিনো জাতের মহিষ হলেও তার মধ্যে রয়েছে ট্রাম্পের মতোই উচ্চাকাঙ্ক্ষা। যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট পদে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখোমুখি হতে চায় এই ট্রাম্প, দিতে চায় হাড্ডি-মাংসের লড়াই।

মহিষটি বলেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মোকাবিলা করার কোন যোগ্যতাটা নেই আমার, শুনি? চেহারা, হেয়ারস্টাইল, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, ব্রেইন সেল সব সেম টু সেম। ওর চেয়ে বরং আমি আরও কয়েক ইঞ্চি বেশি চওড়া। আমার দৃষ্টিভঙ্গিও বড়!

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে কোন ব্যাপারটায় তাৎক্ষণিকভাবে পিছনে ফেলে দিতে পারবে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে ঠোঁট খানিক বেঁকিয়ে ট্রাম্প বলে, শুনেছি ও (মার্কিন প্রেসিডেন্ট) তো ইউরেনিয়ামের পিছনে শুধু ছোটে। আর আমি নিজেই দিতে পারব ভুড়িভুড়ি ইউরিয়া! সেই ইউরিয়া থেকে ইউরেনিয়াম কীভাবে পাওয়া যায়, সেটাও আবিষ্কার করে ফেলতে পারি। আমি প্রেসিডেন্ট হলে যুক্তরাষ্ট্র হবে ইউরিয়া সার কারখানার আঁতুড়ঘর। দেশের চাহিদা মিটিয়ে তা রপ্তানি করা হবে দেশের বাইরে। মাদার কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশে আমি শুল্ক ফ্রি রাখব।

মহিষ ট্রাম্পের কোন ব্যাপারটা যুক্তরাষ্ট্রে শোরগোল ফেলে দিতে পারে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্ন শুনে খানিক পা চুলকে ট্রাম্প বলে, “আমি নোবেল শান্তির পিছনে কখনো ছুটব না।”

উপস্থিত সবাই হকচকিয়ে গেলে ট্রাম্প গা ঝাড়া দিয়ে জানায়, নোবেল আর শান্তি নামে আমার দুটো বন্ধু আছে, এই পাশের খামারে থাকে। ওদের সারাদিন ভেংচি কাটি। আমাকে দেখলেই কেন যেন তেড়ে আসে। নোবেল আর শান্তি সারাক্ষণ তো আমার পিছনেই পড়ে থাকে। আমি প্রেসিডেন্ট হলে বিশ্বজুড়ে শুধু থাকবে নমনীয়তা। আমার কমিউনিটি ‘বাফেলোস্টিন ফাইল’ শীঘ্রই সামনে আসবে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন প্রতিদ্বন্দ্বীতে শঙ্কিত কিনা, সেটা জানার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন আমাদের প্রতিনিধি। এ ব্যাপারে ট্রাম্পের নট অনলি ট্রুথ বাট অলসো আনসোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ইনবক্স করা হলে তিনি ব্লক করে দেন।

 

পঠিত ... ১ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে

Top