সম্প্রতি কাসেমী হুজুর জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। ছাড়া পাওয়ার পরপরই তার একটি বিয়ে-বিষয়ক স্ট্যাটাস ফেসবুকে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। কাসেমী ফ্যানক্লাবও এই স্ট্যাটাস দেখার পরপরই বেশ আনন্দ প্রকাশ করেছে। তারা আশা করছেন, খুব শিগগিরই কাসেমী হুজুরের আরও কয়েকটি বিয়ে আমরা দেখতে পাব।
এই বিষয়ে কাসেমী ফ্যানক্লাবের সভাপতির সঙ্গে একটি ফেক ভিডিওকলে আমাদের কথা হলে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত গলায় বলেন, হুজুর ফিরে এসেছেন আমাদের মাঝে।আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। কিন্তু সরকারের কাছে আমাদের হুজুরের হয়ে আমরা দাবি জানাচ্ছি, যেন সরকার তার জন্য একটি বিয়ে কার্ড দেন। একটি বিয়ে করতে এখন যে পরিমাণ খরচ হয়, তাতে সরকার থেকে সাহায্য পেলে খুব ভালো হয়। এছাড়া একটি পাত্রী খোঁজার অ্যাপ আনারও দাবি জানিয়ে গেলাম।
এই ফ্যানক্লাবের আরেকজন সদস্যকে আমরা প্রশ্ন করেছিলাম, তিনি বিয়ে কার্ডে কী কী সুবিধা চান? তিনি বেশ জোরালো কণ্ঠে আমাদের জানান, দেখেন, সামাজিকভাবে এক বিয়ে করার পর আরেক বিয়ে করতে গেলেই সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে বেশ চাপ আসে। এই বিয়ে কার্ডের মাধ্যমে সরকার আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে সেই চাপ ভালোভাবে সামলানোর সুযোগ করে দিতে পারে। যেমন, এই কার্ডের মাধ্যমে যার যে কয়টি বউ, সে কয়টি রুমসহ একটি ফ্ল্যাট দেওয়া হলে বেশ ভালো হয়। তাছাড়া প্রথম বিয়ের পরের বিয়েগুলোতে সরকার ভর্তুকি দিলে আগ্রহী যুবকেরা সহজে বিয়ে করতে পারে!
এ ব্যাপারে কাসেমী হুজুরের সঙ্গে একটি ফেক ফোনকলে কথা হলে তিনি একটু মুচকি হেসে বলেন, আমি আসলে তরুণ যুবকদের নিয়ে অনেক ভাবি। দেখেন, একাধিক বিয়ের অনেক উপকারিতা আছে। তিন-চারজন বউ মিলেমিশে ঘরে থাকতে পারে, কারও একা লাগে না। এছাড়া অনেক অসহায় মেয়ের আশ্রয়ও হয়! তাছাড়া জ্বালানির দাম বাড়ার এ বাজারে বিয়ে করাটা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই বিয়ের খরচেও কিছু সাহায্য পেলে তরুণ-যুবাদের উপকার হয়। এছাড়া এই কার্ডের মাধ্যমে হালাল ফুডের পেজগুলোতে প্রতিদিনের খাবার ও হানি নাটস কেনাকাটায়ও ছাড় দিলে ভালো হয়। আধুনিক যুগের বহুবিবাহের প্রবক্তা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তরুণ-যুবাদের পক্ষে বিয়ে কার্ডের দাবি জানাচ্ছি।


