জানুয়ারিতে যারা কামব্যাক দিতে পারেননি, তাদের চাপ বাড়ছে বৈশাখের ওপর

১৮ পঠিত ... ১১ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে

 

জানুয়ারিতে কামব্যাক দেওয়ার স্বপ্ন ছিল তাদের! এর আগে স্বপ্ন দেখেছেন ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে! কিন্তু বছর যায়, বছর আসে, তাদের স্বপ্ন আর পূরণ হয় না। এমন অনেক তরুণ-তরুণী এবার কামব্যাক দেওয়ার জন্য বেছে নিয়েছেন বৈশাখ মাসকে। পহেলা বৈশাখ থেকেই কামব্যাক দিতে চান তারা। এদিকে এই ব্যাপক সংখ্যক তরুণ-তরুণীর কামব্যাকের চাপ পড়ায় কিছুটা চিন্তিত দেখা গেছে বৈশাখ মাসকে।

বৈশাখের চাপকে পাত্তা না দিয়ে এক কামব্যাক সৈনিক বলেন, জানুয়ারি ইংরেজি মাস, দেখে মনে হয় সঠিকভাবে কামব্যাক দিতে পারি না। নইলে সেই ২০২০ সাল থেকে কামব্যাক দেওয়ার চেষ্টা করছি, এখনও পারছি না কেন? আমার নিজের তো কোনো দুর্বলতা নেই! সব দোষ আসলে জানুয়ারির। তাই এবার চেষ্টা করছি বৈশাখকে কাজে লাগাতে।

এই সময় তিনি গুনগুন করে গেয়ে ওঠেন, ও আমার দেশের মাটি, তোমার পরে ঠেকাই মাথা!

এদিকে বৈশাখ মাসের এক মুখপাত্র বলেন, এদের আমরা চিনি! যারা জানুয়ারিতে কামব্যাক দিতে পারে না, তারা বৈশাখেও পারবে না, মহররমেও পারবে না! এমনকি চাইনিজ বছরের প্রথম মাস ঝেইইউয়েতেও পারবে না! এরা অথর্ব। এই অথর্বরাই এবার বৈশাখ মাসের ওপর দোষ চাপাবে।
এ কারণে বৈশাখ মাস চিন্তায় আছে; সে মুমূর্ষু হয়ে উড়ে যাওয়ার অপেক্ষা করছে।

বৈশাখের এমন মন্তব্যের পর কামব্যাক-প্রত্যাশীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে বলছেন, বৈশাখ মাস আসলে একটি এলিটিস্ট মাস, যা কেবল ইলিশ মাছ আর পান্তা ভাতের কারবারিদের কদর করে। জনৈক হতাশ যুবক আক্ষেপ করে বলেন, জানুয়ারি ছিল শীতের মাস, অলসতায় কেটে গেছে। কিন্তু বৈশাখের তো আগুন আছে, তেজ আছে! সেই তেজে আমাদের পুরোনো ব্যর্থতা পুড়ে ছাই হয়ে নতুন আমি জন্মাব, এটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু বৈশাখ যদি শুরুতেই এমন ডিমোটিভেশনাল কথা বলে, তবে আমরা যাব কোথায়? কামব্যাক কি তবে আমরা মঙ্গোলীয় ক্যালেন্ডার দেখে দেব?

এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে কামব্যাক ম্যানেজমেন্ট কমিটি নামের একটি কাল্পনিক সংগঠন বৈশাখ মাসকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছে যে, চাপ কমানোর জন্য তারা কিছু তরুণের কামব্যাকের তারিখ পিছিয়ে আষাঢ় মাস পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তবে আবহাওয়া অফিস এক বিশেষ বুলেটিনে জানিয়েছে, বৈশাখের ওপর যে পরিমাণ কামব্যাকের উচ্চচাপ সৃষ্টি হয়েছে, তাতে যেকোনো সময় কালবৈশাখী ঝড় শুরু হতে পারে।

১৮ পঠিত ... ১১ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে

Top