কিছু ইফতার পার্টির দাওয়াত ঈদের পর করার অনুরোধ জানালো বাংলাদেশ ইফতার পার্টি

১১ পঠিত ... ২ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে

রমজানের বাকি আর মাত্র ১২ দিন, কিন্তু ইফতার পার্টি জমে আছে ৪৫টি। গাণিতিক এই মহাজটিলতায় পড়ে দেশের পেশাদার ইফতারি খাদক এবং ইফতার পার্টি কমিটির সদস্যরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায়, অবশিষ্ট ইফতার মাহফিলগুলো পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর পোস্ট-রমজান ইফতার হিসেবে পালন করার জন্য আয়োজকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইফতার পার্টি ও ছোলা-মুড়ি ঐক্য পরিষদ।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এক দিনে ৩টি করে ইফতারি খেয়েও আমরা কূল পাচ্ছি না। পেটে বিরিয়ানির জায়গা আছে, কিন্তু ক্যালেন্ডারে তো তারিখ নেই! আমরা চাই না কোনো দাওয়াত অপচয় হোক। তাই আমরা প্রস্তাব করছি, ঈদের পর অন্তত ১৫ দিন পর্যন্ত ইফতার ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে এই বাকি ৪৫টি পার্টি শেষ করা হোক।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঈদের পর দুপুর পর্যন্ত মানুষ যেহেতু এমনিতেই না খেয়ে থাকার অভ্যাস করে ফেলেছে, তাই বিকেলে ব্রেকফাস্ট পার্টির বদলে দেরিতে হওয়া ইফতার পার্টি করা অনেক বেশি যৌক্তিক। ইফতারের মেন্যুতে থাকা বেগুনি আর আলুর চপকে কোরবানি ঈদ পর্যন্ত সংরক্ষণ করার জন্য বিশেষ ফ্রিজিং প্রযুক্তির দাবিও তোলা হয়েছে। যদি ঈদের পরও জায়গা না হয়, তবে প্রয়োজনে থার্টি ফার্স্ট নাইটে খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করার আগাম বুকিং দিয়ে রাখতে অনুরোধ করা হয়েছে।

এক ভুক্তভোগী আমন্ত্রিত অতিথি বলেন, আমার অবস্থা এখন এক মুখে দুই পান-এর মতো—একই দিনে উত্তরার ইফতার পার্টিতে খেজুর খেয়ে, তেজগাঁওয়ে গিয়ে শরবত খাই, ধানমন্ডির পার্টিতে গিয়ে এক মুঠো মুড়িমাখা খেয়ে দৌড় দেই গুলশানের পার্টিতে তেহারি খাওয়ার জন্য। শরীর আর সায় দিচ্ছে না ভাই! দয়া করে বাকি দাওয়াতগুলো ঈদের পর শিফট করেন, সেমাইয়ের সাথে না হয় পেঁয়াজু খাবো!

এদিকে, ইফতার আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, তারা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছেন। প্রয়োজনে ঈদের তিন দিন পর থেকে পুনর্মিলনী ইফতার নামে নতুন এক সংস্কৃতির সূচনা হতে পারে, যেখানে রোজা ছাড়াই ইফতারের আনন্দ উপভোগ করা যাবে।

১১ পঠিত ... ২ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে

Top