ফুলকপির প্রেমের টানে আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে আসলো অ্যাভোকাডো

পঠিত ... ২ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে

ফেসবুক খুললেই কথা বলছে সবজিরা। তারাও মানুষ হয়ে গেছে। কোনো কোনো কথা বলা সবজির ইমোশন আছে বলেও জানা গেছে। তারা প্রেমও করতে চায়। এমনই এক বাংলাদেশি সবজি ফুলকপির প্রেমে পড়ে এবার স্বয়ং আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে এসেছেন আমেরিকান বিখ্যাত ফল অ্যাভোকাডো। 

আমেরিকা থেকে আসা অ্যাভোকাডো জানিয়েছেন, বিয়ের পর তারা দ্রুতই একটা কাপল ভ্লগ খুলবে। এরপর ভিডিও বানানো শুরু করবে। 

এই খবর জানাজানি হওয়ার পর ফেসবুকের সবজি কমিউনিটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ব্রকলি নিজের ভেরিফাইড পেজ থেকে এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ফুলকপি আসলে মেকআপ করে নিজেকে ব্রকলি সাজিয়ে এই আমেরিকান ফলকে ধোঁকা দিয়েছে। 

অন্যদিকে, দেশি বেগুন এই সম্পর্ককে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন হিসেবে আখ্যা দিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, দেশে বেগুন, আমড়া থাকতে অ্যাভোকাডো কেন? এই ধরনের সাংস্কৃতিক আগ্রাসন মেনে নেয়া হবে না। এই বিয়ে ক্যান্সেল না হলে দ্রুতই আরও একটা গণঅভ্যুত্থানের ডাক দেব আমরা। 

বিয়ে উপলক্ষে গতকাল এই যুগলকে রাজধানীর এক নামী শপিং মলে দেখা গেছে। অ্যাভোকাডোকে দেখা যায় একদম খাঁটি দেশি পাঞ্জাবি গায়ে দিয়ে ট্রায়াল দিতে, যদিও তার পেটের বড় বিচিটার কারণে ফিটিং নিয়ে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয়েছে। ফুলকপিও কম যাননি, তিনি নিজের পাপড়িগুলোকে আরও উজ্জ্বল করতে প্রিমিয়াম কোয়ালিটির সার দিয়ে স্পা করিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, বিয়ের কাবিনে কোনো টাকা-পয়সা নয়, বরং ৫ কেজি জৈব সার এবং ৩ লিটার বিশুদ্ধ সেচ ধার্য করা হয়েছে।

বিয়ের পর এই যুগল হানিমুনের জন্য উত্তরবঙ্গের কোনো এক হিমহিম কোল্ড স্টোরেজে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। অ্যাভোকাডো জানান, বাংলাদেশে এসে তার গায়ের চামড়া একটু বেশিই খসখসে হয়ে গেছে, তাই শীতল আবহাওয়া তাদের রোমান্সের জন্য জরুরি। ভ্লগিংয়ের ব্যাপারে তিনি আরও খোলসা করে বলেন, আমাদের প্রথম ভিডিওর টাইটেল হবে—বিদেশি জামাইকে শাশুড়ি বাঁধাকপির তরকারি দিয়ে ভাত খাওয়ালেন, দেখুন কী হলো!' আশা করছি এই ভিডিওর ভিউ দিয়ে আমরা আমাদের পরবর্তী বংশধরদের জন্য এক টুকরো উর্বর জমি কিনতে পারব।

পঠিত ... ২ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে

Top