সম্প্রতি ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে তুলে নিয়ে গিয়েছেন। এই সংঘাতের মাঝে যে তৈলাক্ত ব্যাপার আছে তা সারাবিশ্বই জানে। যুগ যুগ ধরে দেখা যায় মার্কিন মুল্লুকের মাথাদের সবসময় তেল জিনিসটা একটু বেশিই পছন্দের। পিছিয়ে নেই ট্রাম্পও। তেলের প্রতি তার ভালোবাসার নানান নজির আমরা দেখতে পাচ্ছি।
ট্রাম্পের ব্যাপারে হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা ফেক সাক্ষাৎকারে জানান, তেল শব্দটি শুনলেই ট্রাম্পের মন ভালো হয়ে যায়। তার ফেভারিট সেন্ট হলো কেরোসিন তেলের স্মেল। তিনি স্পেশালি এই ঘ্রাণের পারফিউম ব্যবহার করছেন আজকাল। গতকাল তিনি কথায় কথায় বলছেন, হায় আল্লাহ খালেদ, বিশ্বের সব তেল যদি আমার হতো!
হোয়াইট হাউজের আরেক ফেক কর্মীর গোপন সূত্রে আমরা জানতে পেরেছি, ট্রাম্প বর্তমানের সবরকম তেল কালেক্ট করার চেষ্টায় আছেন। তিনি বলেছেন যেসব মানুষের চেহারা তৈলাক্ত তাদের চেহারা থেকে তেল বের করার জন্য এক যন্ত্র বানানো হয়েছে। তাই এখন থেকে অয়েলি স্কিনের লোকজন যেন সাবধান থাকে। কারণ ট্রাম্প তৈলাক্ত চেহারার লোকজনকে আটক করার নির্দেশ জারি করতে পারেন দ্রুতই।
এ খবর শোনার পর পুরান ঢাকার আকলিমা জানিয়েছেন তিনি বেশ ভয়ে আছেন এটি নিয়ে। তার স্কিনে যে পরিমান অয়েল দেখা যায় গরমকালে তা কোনোভাবেই কন্ট্রোল করা যায় না। তিনি নানাভাবে চেষ্টা করেছেন চেহারার তেল কমানোর। এখন ট্রাম্প জানলে যেকোনো সময় হামলা করতে পারে–এই আশঙ্কায় দিন কাটছে।
এদিকে গুলশানের আফড়িন আপ্পি এ ব্যাপারে আমাদেরকে বলেন, অহ মাই গঠ! এটা আমি কী শুনলাম! ইজ দিস ট্রু? কিন্তু আমি তো অনেক ট্রাই খড়েও আমার স্কিনের অয়েলঠা দূর করতে পারছি না, ইউ নো! আমি কত দামী পার্লারে গিয়েছি, কত ট্রিটমেন্ট, লেঝার ফেসিয়্যালও কড়িয়েছি! কিন্তু আমার স্কিনের অয়েলঠা তো যাচ্ছেই না! শিট! এখন আমার কী হবে… বলেই তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
এদিকে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একটি মনভোলানো মিথ্যা ফোনকলে অনুরোধ করেছেন যেন তৈলাক্ত চেহারার মানুষেরা আপাতত কিছুদিন আত্মগোপনে থাকেন। ট্রাম্প তেল কালেকশনের জন্য মরিয়া হয়ে আছেন এখন, জনগন যেন কোনো রিস্ক না নেয়।


