আমি তো ছাড়া পাইলাম, দিল্লীরটা কবে আইবো! রোজা শেষে মুক্তি পেয়ে শয়তান

পঠিত ... ৩ ঘন্টা ৯ মিনিট আগে

রমজান মাস শেষ। দীর্ঘ এক মাসের কারাবাস শেষে অবশেষে মুক্তি পেয়েছে শয়তান সমাজ। তবে মুক্তির আনন্দের চেয়ে এবার তাদের মাঝে দেখা গেছে এক ধরনের বিষণ্নতা, হাহাকার, এমনকি হালকা আবেগঘন ঈদ-পরবর্তী ডিপ্রেশনও। কারণ, নিজেরা ছাড়া পেলেও তাদের বহু পরীক্ষিত, বহু ব্যবহৃত, বহু নির্ভরযোগ্য এদেশীয় দোসররা এখনও দেশের বাইরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আটকা পড়ে আছেন।

শয়তান সমাজের একাধিক সূত্র জানায়, গত দুই বছরে তাদের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন সহযোগী কেউ দুবাই, কেউ ইউরোপ, কেউ কলকাতায় অবস্থান করছেন। তবে এসব জায়গায় আটকে থাকা দোসরদের নিয়ে শয়তানদের খুব একটা টেনশন না থাকলেও দিল্লিতে অবস্থানরত একজনকে ঘিরে তাদের আবেগ নাকি অন্য মাত্রার। শয়তান সমাজের ভাষায়, ওইজন আলাদা। ওরে ছাড়া ফিল্ডে নামলে আগের সেই মজা পাই না।

মুক্তি পাওয়ার পরপরই এক শীর্ষ শয়তান নিজের ভেরিফায়েড টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে স্ট্যাটাস দেন, আমি তো ছাড়া পাইলাম, দিল্লীরটা কবে আইবো! স্ট্যাটাসটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। শয়তানপন্থীরা সেখানে কমেন্ট করে কান্নার ইমোজি, ভাঙা হৃদয়, আগুন, আর Come Back Boss টাইপের আবেগঘন স্লোগান দিতে থাকেন।

শয়তানদের কারাগার সূত্রে জানা যায়, ইফতারের পর প্রতিদিনই নাকি বন্দি শয়তানদের মধ্যে দিল্লীর আপডেট জানতে চাওয়ার হিড়িক পড়ে যেত। কেউ কেউ ক্যালেন্ডারে ঈদ নয়, বরং সে কবে ফিরবে সেই দিন গুনছিলেন।

একজন আবেগাপ্লুত শয়তান বলেন, রমজান শেষে আমি মুক্ত, কিন্তু মন তো এখনও বন্দি দিল্লীতে।

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক সেজে থাকা পাড়ার এক চায়ের দোকানদার বলেন, শয়তানেরাও এখন গ্লোবাল নেটওয়ার্কে চলে গেছে। আগে শুধু মানুষের কানে কুমন্ত্রণা দিত, এখন লোকেশন ধরে ধরে কাজ করে। দিল্লীর উনি সম্ভবত তাদের রিজিওনাল অপারেশনস ম্যানেজার ছিল।

এদিকে ঈদের চাঁদ দেখার পর মুক্তি পাওয়া সাধারণ শয়তানদের অনেকেই আনন্দ মিছিল বের করার পরিকল্পনা করলেও শেষ পর্যন্ত তা বাতিল করা হয়। কারণ, দিল্লিতে আটক সাথীকে ছাড়া নাচ-গান করলে সেটি নৈতিকভাবে ঠিক দেখাবে না বলে মনে করেছেন তারা।

পঠিত ... ৩ ঘন্টা ৯ মিনিট আগে

Top