গত ১৫ বছর ধরে যে সব দুঃশাসনের লজ্জাজনক কীর্তি আওয়ামী লীগ করেছে—খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, মিথ্যা মামলা—সব এখন হুবহু কপি করছে বিএনপি! দেশের মানুষ তো অবাক, কিন্তু সবচেয়ে বেশি অবাক এখন আওয়ামীলীগ! তবে পাশাপাশি আওয়ামী লীগ অভিযোগ করে বলছে, বিএনপি তাদের স্টাইল ফলো করলেও তাদের ক্রেডিট দিচ্ছে না। ফলে দলটি কপিরাইট ইস্যুতে বিএনপির বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে! একটু সম্পূর্ণ ভূয়া সূত্র থেকে আমরা জানতে পারে eআরকি।
আওয়ামীলীগের পলাতক নেতা ফেসবুক লাইভে এসে ক্ষুব্ধ গলায় বলেছেন, দেখেন ভাই, আমরাই তো এইসব জিনিসে ‘অরিজিনাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর’! এখন বিএনপি সেই কনটেন্ট কপি করছে, কোনো সোর্সের নাম নাই, রেফারেন্স নাই! কোন ক্রেডিটও নাই। সামান্য কৃতজ্ঞতা পর্যন্ত নাই!
আওয়ামী লীগের আইনজীবী বলেছেন, আমরা এখন কপিরাইট আইনে মামলা দিচ্ছি! ধর্ষণের ধরন, চাঁদাবাজির মডেল—সবই আমাদের রাজনৈতিক আইডোলজি থেকে কপি করা!
বিএনপির গুমফেরত নেতা এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এখনতো প্র্যাকটিস করছি! পিকচার আবি বাকি হ্যায়! আমরা যে পুরনো কাজের রিমিক্স করছি তা কিন্তু নয়। আমরা মার্কেটে নতুন আইডিয়া নিয়ে এসেছি। কিভাবে পাথর চাপা দিয়ে মানুষ মেরে ফেলে যায়। কীভাবে ক্ষমতায় না থেকে ও ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করা যায়! এটাই আমাদেরকে লীগ থেকে আলাদা করেছে! তাছাড়া লীগই শুধু বাজারে নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে আসে এমন না। এর আগে আমরাও একাধিকবার ক্ষমতায় ছিলাম, আওয়ামী লীগ তখন আমাদের স্টাইলও ফলো করতো!
দেশের এই পরিস্থিতিতে অন্তবর্তীকালীন সরকারের এক উপদেষ্টা বলেন, হায় আল্লাহ! জানেন খালেদ, ক্ষমতার চেয়ারটা যদি ছাড়তে পারতাম খুব ভালো লাগত। আমার মাঝে মাঝে কী ইচ্ছে হয় জানেন খালেদ? ক্ষমতার চেয়ার ছেড়ে টকশোতে গিয়ে কথার বুলেট দিয়ে এসব দুষ্কৃতিকারীদের কঠোর সাজা নিশ্চিত করি।
এদিকে নতুন দিনের রাজনৈতিক বিশ্লেষক তুষার জিয়া বলেন, রাজনৈতিক অপকর্ম এখন দেশের অন্যতম সংস্কৃতি। একে বলে 'পলিটিক্যাল ট্রাডিশন ট্রান্সফার'! সরকার যাই আসুক, যে লাউ সেই কদু।