করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে 'ড: ইব্রাহীমস্টাইন মেমোরিয়াল হসপিটাল'

৪১১৭ পঠিত ... ১৫:৫০, মার্চ ০৬, ২০২০

করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় মাত্র ১০ দিনে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করে বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলো চীন। এবার আরো বড় খবর নিয়ে এসেছেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট বিজ্ঞানী স্যার ইব্রাহীমস্টাইন। বিজ্ঞান বিশ্বের নানান সমীকরণ উল্টে দেয়া নাসার ‘স্বপ্নযোগ’ শাখার বাংলাদেশি এই বিজ্ঞানী করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় ড.ইব্রাহীমস্টাইন মেমোরিয়াল হাসপাতাল’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছেন। 

সম্প্রতি নিজের বিশেষ ‘স্বপ্নদ্রষ্টা’ দলের ইতালি শাখার এক সদস্যের বরাত দিয়ে স্বপ্নযোগে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিনের ফর্মুলার কথা প্রকাশ করেন এই গুণী বিজ্ঞানী। তিনি জানান, স্বপ্নযোগে করোনা ভাইরাস নিজেই নিজের মরণাস্ত্র ফর্মুলা ‘1.Q7+6=13’ আমাদের জানিয়ে দেন। এমন ঘোষণার পরই স্বপ্নযোগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় স্যার ইব্রাহীমস্টাইনের কাছে এই বিশেষ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার অনুরোধ জানায়। 

হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও এর কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে স্বপ্নযোগে আমরা স্যার ইব্রাহীমস্টাইনের দেখা পাওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু সুস্থ্য স্বাভাবিক অবস্থায় ঘুমাতে যাওয়ায় স্বপ্নে তাঁর দেখা না পেয়ে, এক প্রকার বাধ্য হয়েই একটি বিশেষ পানীয় খেয়ে ঘুমাতে যাই। এরপরই সৌভাগ্যক্রমে স্যার আমাদের স্বপ্নে আসেন। 

এই হাসপাতালের কার্যপ্রণালী সম্পর্কে স্বপ্নযোগে স্যার জানান, ‘আমাদের পুরো প্রসেসটাই স্বপ্নে হবে। স্বপ্নে রোগী সনাক্ত করা হবে, স্বপ্নেই দেয়া হবে চিকিৎসা। ফলে স্বপ্ন থেকে বাস্তব দুনিয়ায় করোনা ভাইরাস আর আসতে পারবে না। শুধুমাত্র স্বপ্নে কোন দোষ মানে স্বপ্নদোষের কারণেই করোনা ভাইরাস স্বপ্ন থেকে বাস্তবে আসতে পারবে।’ 

কবে নাগাদ হাসপাতালের নির্মাণ কাজ শেষ হবে জানতে চাইলে স্যার গুনগুনিয়ে ‘একদিন স্বপ্নের দিন’ গানটি গাইতে থাকেন। 

স্বপ্নের এই পর্যায়ে ইব্রাহীমস্টাইনের স্থলে চলে আসে নাসার চিকিৎসা বিজ্ঞান শাখার এক কর্মকর্তা। তিনি জানান, 'স্যারের স্বপ্নদোষ থুক্কু স্বপ্নগুণ ঈর্ষণীয় পর্যায়ের। একবার চিন্তা কইরা দেখেন, করোনা ভাইরাসের মতো খাতারনাক জিনিসরেও স্বপ্নে একটা সমীকরণে ফালায় দেয়া কি সাধারণ স্বপ্নগুণওয়ালা লোকের কাম!?' 

মহাকাশ গবেষণায় আর কাড়ি কাড়ি টাকাও খরচ করবেন না বলে জানান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, 'স্যার ও স্যারের স্বপ্নদ্রষ্টা টিমকে ঠিকঠাক ঘুম পাড়িয়ে দিতে পারলেই হলো। হুদাই কোটি কোটি ডলার খরচ করার কোন মানে নাই। আমরা স্যারের ভালো ঘুমের পেছনে টাকা খরচ করবো। এরপর মহাকাশের সব তথ্য স্যার স্বপ্নের মাধ্যমেই নিয়ে আসবেন।'

 

আরও পড়ুন-

বাংলাদেশি বিজ্ঞানী মুফতি ইব্রাহীমের যে ৯টি বিস্ময়কর আবিষ্কারের কথা আপনি নাও জানতে পারেন

৪১১৭ পঠিত ... ১৫:৫০, মার্চ ০৬, ২০২০

Top