CSA প্রসঙ্গে জানার পর 'Welcome to the club' লিখে পোস্ট পুতিন, কিম জং উন, শি জিন পিংয়ের

পঠিত ... ৩ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে

 

16 (34)
সরকারের প্রস্তাবিত নতুন সাইবার সুরক্ষা আইন ‘CSA’ এর খবর পৌঁছাতেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে উৎসব। আইনটির খসড়া পড়ার পর পুতিন, কিম জং উন, শি জিন পিংসহ কয়েকজন বিশ্বনেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একযোগে ‘Welcome to the Club’ লিখে পোস্ট করেছেন। কাল্পনিক সূত্রে জানা গেছে, আইনটির বিভিন্ন ধারা পড়ার পর বিশ্বনেতাদের মধ্যে এমন আনন্দের সৃষ্টি হয় যে কয়েকজন নাকি পুরোনো নীতিবাক্য বাদ দিয়ে নতুন করে গণতন্ত্রের সংজ্ঞা লেখার উদ্যোগ নিয়েছেন।

তাদের ভাষ্যে, নতুন প্রস্তাবিত CSA গণতন্ত্র রক্ষার অন্যতম কার্যকর হাতিয়ার। বিশেষ করে জনগণ যাতে গণতন্ত্রের সুযোগ নিয়ে সরকারের সমালোচনা, প্রশ্ন কিংবা আপত্তি জানানোর মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজ না করে, সে বিষয়ে আইনটি নাকি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমাদের সঙ্গে এক কাল্পনিক সাক্ষাৎকারে গণতন্ত্রের মানসপুত্র কিম জং উন বলেন, CSA সম্পর্কে একটু পড়াশোনা করলাম। আইনটা আমার মনে ধরেছে। বাংলাদেশকে অভিবাদন। ফাইনালি দীর্ঘ দুই বছরের বাকস্বাধীনতার গ্যাড়াকল থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তারা। সরকারকে যদি মানুষ ভয়ই না পায়, তাহলে সরকারে থেকে কী লাভ? জনগণ যদি সারাক্ষণ প্রশ্ন করে, সমালোচনা করে, নিজের মতামত প্রকাশ করে, তাহলে সরকার নিজের কাজ করবে কখন?

কিম আরও জানান, তার দেশের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো জনগণকে বোঝানো যে স্বাধীনতা আছে, তবে সেই স্বাধীনতা ব্যবহারের আগে একটু ভেবে নিতে হবে। মানুষ কথা বলবে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু মানুষ কী কথা বলবে, কোথায় বলবে, কত জোরে বলবে—এসব নিয়েও তো কিছু নিয়ম থাকতে হয়। নইলে গণতন্ত্র আর গণতন্ত্র থাকে না।

 

বাংলাদেশের সরকারকে বিশেষ পরামর্শ দিয়ে কিম বলেন, আবারও বলছি, ‘Welcome to the Club।’ CSA কে আরও আপডেট করতে চাইলে আমাদের এখানে ঘুরে যান। অনেক কিছু শিখতে পারবেন। এদিকে পুতিন ও শি জিন পিংও নাকি বাংলাদেশের নতুন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের পক্ষ থেকে যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাইবার নিরাপত্তার পাশাপাশি নাগরিকদের নিরাপত্তাটাও জরুরি, এখন নাগরিক যদি নিজের নিরাপত্তা নিজে নিশ্চিত করতে সচেতন না হয়ে সারাক্ষণ সরকারের সমালোচনা করে তার দায়িত্ব তো সরকার নেবে না।

পঠিত ... ৩ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে

Top