সকাল ৮টার সময় আসার কথা বলে ২ টায় এসে কসাই বললেন, মামা রাগ করলা?

পঠিত ... ৩ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে

 

কোরবানির ঈদের সময় একটি কমন সমস্যা হলো কসাই না পাওয়া কিংবা কসাইয়ের সময়মতো না আসা। এমনই দেরিতে আসা এক কসাই এবার ঈদে ভাইরাল ডায়লগ “মামা রাগ করলা?” বলে গরুর মালিকের মন গলানোর চেষ্টা করে আলোচনায় এসেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানীর এক আবাসিক এলাকায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৭টা থেকেই গরুর মালিক নতুন লুঙ্গি পরে, হাতে রশি নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। সময় গড়াতে গড়াতে সকাল ৮টা থেকে ৯টা, ৯টা থেকে ১১টা, এরপর সরাসরি দুপুর ২টা বাজলেও কসাইয়ের কোনো খোঁজ ছিল না।

এ সময় মালিক প্রতি ১৫ মিনিট পরপর ফোন দিয়ে শুধু তিনটি উত্তর পান, আসতেছি মামা, এই তো কাছেই, এটাই শেষ গরু।

অবশেষে দুপুর ২টার দিকে সানগ্লাস পরে, কাঁধে ছুরি ঝুলিয়ে এবং মুখে রহস্যময় হাসি নিয়ে কসাই এসে প্রথমেই বলেন, মামা রাগ করলা?

এই একটি বাক্যেই পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলে যায়। ক্ষোভে ফুঁসতে থাকা গরুর মালিক প্রথমে কঠিন মুখে তাকিয়ে থাকলেও কয়েক সেকেন্ড পর নিজেই ফিক করে হেসে ফেলেন।

পরে তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ভেবেছিলাম আজকে একটা ফাডাফাডি হইবো। কিন্তু কসাই মামা তো ভাই-ভাই ভাইবের মানুষ। এমন কুল এন্ট্রির পরে আর রাগ ধইরা রাখা যায়?

বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক হাস্যরস হলেও কসাই ভাইটি আমাদের বলেন, সময়টা ট্রেন্ডি হওয়ার। সবাই ট্রেন্ডের সঙ্গে থাকলে আমি থাকতে দোষ কী? আর এদিন এমনিতেই আমাদের ওপর প্রচুর মানুষ রেগে থাকে। তাই আগেই ভেবে রেখেছিলাম, সবাইকে এই কথাই বলব।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কসাই ভাইয়ের এই টেকনিক রাগ ভাঙানোর ক্ষেত্রে নতুন এক সামাজিক কৌশল হতে পারে। আশা করা হচ্ছে, নতুন এই থেরাপিতে কোথাও পৌঁছাতে দেরি হলে এই ডায়লগের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। এর ফলে শুধু কসাই মামারাই নন, বিশ্বের সকল লেট-লতিফরাও উপকৃত হবেন।

পঠিত ... ৩ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে

Top