'কথিত’ নাকি আসল? পীরদের সার্টিফিকেট দেবে প্রথম আলোসহ অন্যান্য গণমাধ্যম!

৫৭ পঠিত ... ১১ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে

অবশেষে দেশের পীরদের সার্টিফিকেট দেয়ার কাজ হাতে নিয়েছে প্রথম আলোসহ দেশের অন্যান্য অনেক সংবাদ মাধ্যমে। বিষয়টি নিয়ে ভূয়া প্রথম আলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশে তো কত পীর! এখানে কোনটা আসল আর কোনটা কথিত এইসব আসলে কে নির্ধারণ করবে? কাউকে না কাউকে তো এগিয়ে আসতে হবে! নইলে জনগণ যাবে কোথায়, খাবে কী? সেজন্য এই মহৎ দায়িত্ব আমরা স্বেচ্ছায় কাধে তুলে নিয়েছি। প্রাথমিকভাবে পীর শামিমকে কথিত ক্যাটাগরিতে সার্টিফিকেট দেয়া হয়েছে।

এই সময়ে প্রথম আলোসহ অন্যান্য আরও সংবাদ মাধ্যমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এক মববাজ। তিনি বলেন, প্রথম আলোকে ধন্যবাদ এভাবে সার্টিফিকেট সিস্টেম চালু করার জন্য। এবার আমরা সার্টিফিকেট দেখে ঠিক করতে পারবো, কোনো পীরকে হত্যা করবো, কাকে হালকা সাইজ করবো কার হাত পা ভেঙ্গে দিবো আর কার কাছে বায়াত নিবো! ধন্যবাদ প্রথম আলো।

এদিকে এই সার্টিফিকেট প্রদান প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে একটি উচ্চপর্যায়ের পিউরিফিকেশন কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। সংবাদ মাধ্যমের ভেতরের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, পীরদের অলৌকিক ক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য বিশেষ কিছু ল্যাব টেস্ট করা হবে। যেমন, কার মাঝারে মানুষ বেশি! কার প্রভাব কেমন! কার ভক্ত কেমন! কাকে কথিত বললে মাইর খাওয়ার সম্ভাবনা আছে কাকে কথিত বললে সম্ভাবনা নাই! এসব বিষয়ের ওপর ভিত্তি করেই দেওয়া হবে গোল্ডেন, এ প্লাস কিংবা কথিত গ্রেড।

অন্যদিকে, এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই দেশের দরবারগুলোতে রীতিমতো চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অনেক পীর এখন নিজেদের কেরামতির চেয়ে পাবলিক রিলেশন বা পিআর এজেন্সির দিকে বেশি ঝুঁকছেন। শোনা যাচ্ছে, সার্টিফিকেটের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট হিসেবে এখন থেকে মুরিদদের কান্নার ভিডিও এবং মাজারের জিডিপি গ্রোথের হিসাব জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক হতে পারে। কোনো কোনো পীর আবার আগাম ঘোষণা দিয়েছেন, যদি তাদের যথাযথ গ্রেড না দেওয়া হয়, তবে তারা সংবাদপত্রের সার্কুলেশন কমিয়ে দেওয়ার জন্য বিশেষ বদদোয়া বা কালো জাদু প্রয়োগ করবেন।

৫৭ পঠিত ... ১১ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে

Top