এই দুইটি বই কিনতে ভীড় করছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। কী জন্য কিনতেছে কিছুই বুঝলাম না; বললেন এক বই বিক্রেতা 

৫৮০ পঠিত ... ১৭:২২, ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫

গতকাল রাত থেকে হঠাৎ করেই বিএনপির নেতাকর্মীরা ব‌ইপ্রেমী হয়ে উঠেছেন। তারা নীলক্ষেতসহ অন্যান্য ব‌ইয়ের দোকানে হুড়োহুড়ি করে শুধু দুটো ব‌ই খুঁজছেন। দ্য পেঙ্গুইন বুক অব বেঙ্গলি শর্ট স্টোরিজ ও ইন দ্য লাইট অব হোয়াট উই নো ব‌ই দুটো কেনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন তারা। নীলক্ষেতের এক ব‌ই বিক্রেতা বিস্ময়ের সাথে জানায়, সারা বছর তো বিক্রি হয় নাই। ব‌ইমেলার‌ও তো দেরি আছে। হঠাৎ আইসা সবাই এই ব‌ইগুলা চাইতাছে। ক্যান যাইতাছে, কী জন্য কিনতেছে বুঝতেছি না। আমি ভাই ব্যবসায়ী মানুষ। চাহিদা বাড়ায় দাম ডবল ক‌ইরা ফেলছি‌। তাও দেখি মানুষ কিনতেছে। পুরাই পাঙ্খা।

আরেক বিক্রেতা জানায়, এই দুইটা ব‌ই নিতে কয়েকদল লোক আমার দোকানে আইসা কাকুতি মিনতি করতে লাগল। কইলাম মাত্র শেষ কপি বিক্রি হইয়া গেছে।

একজন আমার হাত ধরে অনুরোধ কইরা কইল আমিই নাকি শেষ ভরসা। মায়া লাগল বুঝছেন। পোলাপানগো ইশারা করলাম। ওরা কালার প্রিন্ট দিয়া ঐ মলাট সেইম স্টাইলের অন্য ব‌ইয়ে আটকায় দিল। ব‌ই পাইয়া তারা কয়েকখান চুমা দিল ব‌ইয়ে, তারপর বুকে আগলায়া নিয়া গেল। এত ভালোবাসা ব‌ইয়ের উপরে কখনোই দেখি নাই। ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেরে সার্থক মনে হ‌ইল—বলে একটু চোখ মুছল, চোখে পানি ছিল কিনা বোঝা গেল না।

অনেক কষ্টে বিএনপির এক নেতাকে ম্যানেজ করা গেল কথা বলার জন্য। ব্যস্ততার মাঝেও সে জানালো, সময় নাই ভাই।

এই ব‌ই দিয়ে কী করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে সে কথা বলল না, দিল একটা লুক। সেই লুকে ছিল বিস্ময়, অজানা এক প্রশ্ন, এক পৃথিবী সম্ভাবনা আরও অনেক কিছু যেটা আমাদের প্রতিনিধি বুঝতে ব্যর্থ।

তবে কারণ যা-ই হোক বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে এই ব‌ই এখন ঢাবি পড়ুয়া শিক্ষার্থীর নিকট বিসিএসের মত‌ই গুরুত্বপূর্ণ। আছে নাকি কারও কাছে কোনো কপি?

৫৮০ পঠিত ... ১৭:২২, ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫

Top