বিশ্ব কিকবক্সিং অঙ্গনে এক অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটতে চলেছে! ওয়াজের মঞ্চ থেকে কিক-বক্সিঙের রিঙে পা রাখতে যাচ্ছেন আমাদের প্রিয় শিশু বক্তা, লাথির জাদুকর—মাদানী হুজুর! সম্প্রতি তার আলোচিত এক ভিডিওতে দেখা যায় দুই নারীকে নিজের ওয়াজের আসর থেকে লাথি দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলছেন তিনি। পরে গোপন অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে নারীদের দেখলেই তার পা স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাথি মারার জন্য উদগ্রীব হয়ে ওঠে। এই অসাধারণ প্রতিভা নজরে আসতেই ওয়ার্ল্ড কিক-বক্সিং ফেডারেশন (WKF) তাকে বিশেষ আমন্ত্রণ জানায়। প্রথমে কিছুটা দ্বিধান্বিত থাকলেও, যখন জানতে পারেন প্রতিপক্ষ নারীও থাকতে পারে, তখনই তিনি রিঙে নামার জন্য রাজি হয়ে যান এবং নিজের ফেক এক্স হ্যান্ডেলে ‘খেলা হবে’ লিখে একটি টুইটও করেন।
মাদানী হুজুর এখন কিক-বক্সিং রিঙে নামার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে প্রথমেই একটি সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন—লুঙ্গি পরে কিক মারার সময় যদি সেটা খুলে যায়! তাই বিশেষভাবে ডিজাইন করা ‘কিকবক্সিং গিয়ার’ বানানোর দাবি তুলেছেন তিনি। এতে থাকবে লুঙ্গির জন্য বেল্ট, যাতে লাথি মারার সময় কোনো ‘অঘটন’ না ঘটে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিক-বক্সিঙের ইতিহাসে এমন ভয়ংকর ফাইটার আর আসেনি, যিনি প্রতিপক্ষের লিঙ্গ দেখে নিজের মারপিটের কৌশল ঠিক করেন! WKF এক জরিপে দেখেছে, অধিকাংশ কিক-বক্সার আতঙ্কে রিং ছেড়ে পালানোর চিন্তা করছে, বিশেষ করে নারী ফাইটাররা এখন ঘরে কম্বল মুড়ি দিয়ে বসে আছেন। কেউ কেউ রিঙে নামার আগে বুলেটপ্রুফ বডি স্যুট পরার অনুমতি চাইছেন!
মাদানী হুজুরের ভয়ঙ্কর লাথি এড়াতে তার প্রতিপক্ষ নারীরা কৌশল বদলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ম্যাচের দিন নারীরা সবাই পুরুষের মতো ছদ্মবেশ নেবেন, কেউ কেউ দাড়ি লাগিয়ে রিঙে নামার পরিকল্পনা করছেন। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এতে তেমন লাভ হবে না। কেউ কেউ অবশ্য মজা করে বলছেন, যদি প্রতিযোগিতার নাম হয়, নারীদের লাথি দিয়ে দূরে পাঠানোর চ্যাম্পিয়নশিপ। তাহলে হুজুর অবধারিতভাবে গোল্ড মেডেল জিতবেন!


