অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হুঁশিয়ারি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পেয়েছেন ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আজ সন্ধ্যায় এ সংক্রান্ত এক ফেক পরিপত্র জারী করেছে।
মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র জানিয়েছে, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ডক্টর ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শপথ নেয়ার পর থেকেই সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ প্রতিদিনই নানা ধরনের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে আসছেন। এ জন্য তাকে এই মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে যোগ্য উপদেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টার সম্মতি রয়েছে বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।
সরজমিনে খোঁজ নিয়েও মন্ত্রণালয় সূত্রের মিথ্যা জড়ানো সত্যতা পাওয়া গেছে।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, গত ৭ দিনে এই উপদেষ্টা মোট ১৭টি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। হুঁশিয়ারি পাওয়াদের তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন দুর্নীতিবাজ গোষ্ঠী, সন্ত্রাসী, চাদাবাজ, রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন দেশ।
নতুন এ মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিধি জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের এক ফেক সচিব জানান, আমরা প্রতিদিন সন্ধ্যা সাতটায় জাতির উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করব। আগেরদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরেরদিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশে যা-যা ঘটবে তার সবকিছু হুঁশিয়ারির আওতায় আসবে। ১৫ মিনিটের হুঁশিয়ারি বার্তার পর পরেরদিন আবার যথাসময়ে আমরা লাইভে চলে আসবো। হুঁশিয়ারির মাধ্যমে আমরা গনপিটুনি, মাজার ভাংচুর, লুটপাট ইত্যাদি সকল সমস্যা ঠিক করে ফেলব ইনশাআল্লাহ।
'যদি কিছুই না ঘটে; তাহলে কী হবে?' এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, 'তবুও আমরা কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করব।'
জানা গেছে, জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলোকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে 'আজকের হুঁশিয়ারি' নামে নতুন পাতা ছাপানোর অনুরোধ করা হবে। এভাবে 'আজকের হুঁশিয়ারি'র মাধ্যমে ঘরে ঘরে হুঁশিয়ারি পৌছে যাবে, বলে মনে করছেন নতুন সরকারের নীতিনির্ধারকরা।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হয় হুঁশিয়ারি উপদেষ্টা হাসনাত আব্দুল্লাহর সাথে। আপনার হুঁশিয়ারির পরও কোনো সমস্যার সমাধান না হলে কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেখুন, হুঁশিয়ারি দেয়া আমাদের দায়িত্ব। আর হুঁশিয়ারি বাস্তবায়ন করার কাজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের।
দুই মন্ত্রণালয়ের কাজ এক সাথে না মেলানোর জন্য এই প্রতিবেদককে কঠোর হুঁশিয়ারি প্রধান করেন এই উপদেষ্টা।