বাটপারি জোকস: বাটপারদের নিয়ে ১০টি 'ওরে বাটপার' কৌতুক

২২৪৬ পঠিত ... ২০:০৭, জুলাই ১৬, ২০২০

 

১#
তিন বাটপার বন্ধুর বহুদিন পর দেখা। তারা একটা রেস্টুরেন্টে খেতে গেলো। ১ জন ওয়াশ রুমে গেলো। বাকি দুজন আলাপ করছে। 

১ম: তারপর দোস্ত, তোর ছেলেমেয়ে কয়টা?

২য়: আমার একটাই ছেলে। আমার মতোই বুদ্ধিমান। ভার্সিটিতে পড়ে। বিরাট বড়লোকের একমাত্র মেয়েকে পটাইছে। মেয়েকে ইমপ্রেস করার জন্য একটা গাড়ি গিফট করছে। একবার বিয়ে হয়ে গেলে, মেয়ের বাপের সব প্রোপার্টি আমার।

১ম: আমারও একটাই ছেলে। আমার মতোই বুদ্ধিমান। ভার্সিটিতে পড়ে। সেও বিরাট বড়লোকের একমাত্র মেয়েকে পটাইছে। মেয়েকে ইমপ্রেস করার জন্য ফ্ল্যাট গিফট করছে। ভালোয় ভালোয় বিয়েটা হয়ে গেলেই, মেয়ের বাপের সব প্রোপার্টি আমার। 

এর মধ্যে তৃতীয় বন্ধু এলো ওয়াশরুম থেকে এলো। 

দুই বন্ধু তাকে জিজ্ঞেস করলো, 'দোস্ত তোমার ছেলে মেয়ে কয়টা?'

: আমার এক মেয়ে, আমার মতোই ধান্দাবাজ। দুইটা ছেলেকে নাকে দড়ি দিয়ে ঘুরাচ্ছে। ১জন দিছে গাড়ি আর ১জন দিছে ফ্ল্যাট। আগামীতে আরো অনেক কিছু আদায় করার প্ল্যান আছে...

 

২#
ইন্সিওরেন্স কোম্পানির লোক একজনকে বোঝাচ্ছে- 'এই তো কদিন আগে এক ভদ্রলোক জীবনবীমা করলেন, তারপর কদিন বাদেই একটা ট্রাক তাকে পিষে ফেললো। ব্যস, আমরা তাকে ৫ লাখ টাকা দিয়েছি। ভেবে দেখুন আপনিও হতে পারেন এমন একজন ভাগ্যবান।'

 

৩#
রিজেন্ট হাসপাতালের ঘটনা। অপারেশনের কয়েকদিন পরে ডাক্তার রোগীর খোজ নিতে এলেন। 

: এখন কেমন আছেন?
: ভালো, তবে আমার ছেলে বলছিলো আমার অপারেশনের জন্য আপনি অনেক বেশি টাকা নিয়েছেন।
: দেখুন, আপনার ছেলের কাছে আপনার জীবনটা সস্তা মনে হতে পারে। কিন্তু আমি ডাক্তার, আমার কাছে রোগীর জীবন অতো সস্তা নয়। 

 

৪#
দুই ড্রাইভার গল্প করছে। 

: কী রে, মাঝখানে শুনলাম তোর নাকি চাকরি যায় যায় অবস্থা হয়েছিল। তা কী করে সামলে নিলি?
: এ আর কঠিন কী? এ্যাকসিডেন্ট করে গাড়ির দামি উইন্ডশিল্ড ভেঙে ফেললাম।
কী?
: হ্যাঁ! তারপর বস বললো আগামী তিন বছরে ঐ টাকা আমার বেতন থেকে কেটে রাখবে! তিন বছরের জন্য চাকরি পাক্কা! 

 

৫#
: দেশটা উচ্ছনে গেলো। চারদিকে ‘গাছ লাগাও’  ‘গাছ লাগাও’ এত হৈ হুল্লোড় অথচ আবার বাবা যেই লাগানো শুরু করলো... তাকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেল...
: কেন কী গাছ লাগিয়েছিল তোর বাবা?
: পপি গাছ।

 

৬#
১ম প্রতিবেশী: আমার স্বামীকে নিয়ে পড়েছি এক বিপদে। রোজ সকালে টিভিতে ব্যায়ামের অনুষ্ঠান শুরু হলেই লাফ দিয়ে সে বিছানা থেকে উঠে পড়ে। 

২য় প্রতিবেশী: বিপদ বলছ কেন, এই বয়সে ব্যায়াম করাটা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো।

১ম প্রতিবেশী: আরে নিজে ব্যায়াম করলে  ভাল হতো। ও তো ওঠে জানালা দিয়ে পাশের বাড়ির মেয়েটির ব্যায়াম দেখতে।

 

৭#
পাড়ার সবচে কৃপণ লোকটির সঙ্গে দেখা করতে গেলো সমাজসেবকদের একটি দল। দলের নেতা বললো, আমাদের রেকর্ড থেকে দেখা যাচ্ছে আপনার প্রচুর সহায়সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও আপনি কখনো আমাদের তহবিলে একটা টাকাও দান করেননি।

: আপনাদের রেকর্ডে কি লেখা আছে আমার একজন কপর্দকহীন অসহায় ফুপু আছেন? আপনাদের রেকর্ডে কি আছে, আমার এক পঙ্গু ভাই আছে, যে একটি পয়সা আয় করে না? আপনাদের রেকর্ডে কি আছে, আমার এক বিধবা বোন আছে, যার স্বামী মারা যাওয়ার সময় চারটি সন্তান ছাড়া আর কিছুই রেখে যেতে পারে নি? 

: না স্যার, আমাদের রেকর্ডে- এ-সব কিছুই নেই। লজ্জিত হয়ে বললো, দলনেতা। 

: তা হলে শুনুন, ওদের কাউকেই আমি একটি টাকাও দিই না। আপনাদের কেন দেবো? 

 

৮#
নাইটগার্ড হিসেবে নিয়োগ প্রত্যাশী একজন প্রার্থীর সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন চাকরিদাতা। 

: নাইটগার্ড হিসেবে আপনার বিশেষ যোগ্যতা কী?
: আমি স্যার অল্প গোলমালেই ঘুম থেকে জেগে উঠতে পারি। 

 

৯#
বাসে তুমুল ঝগড়া হচ্ছে।

: মুখ সামলে কথা বলুন। না হলে বত্রিশ পাটি দাঁত এক চড়ে খুলে ফেলবো।
: এক চড়ে আপনার চৌষট্টি পাটি দাঁত খুলে পকেটে পুরে দেবো।

অল্পবয়েসী এক ছেলে এ কথা শুনে বললো, দাঁত তো মাত্র বত্রিশ পাটি, চৌষট্টি পাটি খুলবেন কী করে?

: আমি জানতাম আপনি আমাদের কথার মাঝে নাক গলাবেন। তাই আপনার দাঁতের পাটি হিসাব করেই কথাটা বলেছি।

 

১০#
গ্রাম থেকে আসা সরল এক ছেলে ওষুধের দোকানে সেলসম্যানের চাকরি নিল। তাকে সাইজ করতে মহল্লার এক উঠতি রংবাজ হাজির হলো। একটি কাশির সিরাপ কেনার পর ভোলাকে বলছে- এইবার চিনি দাও।

: এখানে চিনি পাওয়া যায় না, স্যার।

আমারে বোকা পেয়েছো? আমি শিক্ষিত মানুষ, প্যাকেটের গায়ে পরিষ্কার লেখা আছে SUGAR FREE! দে, ফ্রি চিনি দে এখনই...

: স্যার কী বলছেন! এরা তো কোনো চিনি ফ্রি দেয় নাই। আর এতদিনে কেউ এমন চায়ও নাই!

: চিনি তুই দিবি না, তোর বাপ দেবে? এইভাবে লোক ঠকানো বের করব আজ... মহল্লায় বাটপারি...

এ সময় পাশ দিয়ে যাচ্ছিল লোকটির প্রতিবেশী। তিনি এগিয়ে গিয়ে উঠতি মাস্তানের হাতে একটি তরলভর্তি বোতল ধরিয়ে দিয়ে বললেন, 'ভাতিজা, এইটা নিয়ে যাও। ইউরিন টেস্ট করতে এসেছিলাম। ডাক্তার ডাক্তার এতে সুগার মানে চিনি আছে। নাও, কাজ হয়ে যাবে, ফ্রি দিলাম... কাউকে আবার বলো না।'

২২৪৬ পঠিত ... ২০:০৭, জুলাই ১৬, ২০২০

আরও

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top