ইফতারের পরে সবারই মনে হয় একটা গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে ঘুরাফেরা করছেন। কিন্তু, আজ জানা গেছে একদম ভিন্ন রকম এক তথ্য। আজিমপুরের আজমের নির্গত বায়ুর পরিমাণ এতোই বেশি যে তিনি সিলিন্ডারের দোকান দেয়ারই পদক্ষেপ নিয়ে নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে আজমের সাথে পাড়ার এক টং-এ দেখা হলে তিনি আমাদের চুপিচুপি বললেন, ‘সারাদিন রোজা রাখি ঠিক আছে। এই যে সন্ধ্যায় ইফতার করি, এতো বায়ু অকারণে নির্গত হয়, এগুলো তো এভাবে অপচয় করা যাবে না। মানুষ ছোট থেকেই বড় হয়। এখন যদি এই বায়ু কাজে লাগাই তাহলেই ভবিষ্যতে বড় কিছু করতে পারব। আর এসব গ্যাস দিয়ে সিলিন্ডারের দোকান করা কোনো ব্যাপারই না ভাই, অনায়াসে করা যাবে।‘
এদিকে ইতিমধ্যে অনেকেই এই সফল উদ্যোক্তা আজমকে নিজেদের আইডল ভেবে নিয়েছেন। আজমের দেখাদেখি অনেকেই ঘরে বসে এই ব্যবসা শুরুর চিন্তা করছেন। ফ্রিল্যান্সাররা ভাবছেন, অনলাইনেই কীভাবে নিজেদের বায়ু বিক্রি করা যায়। শীঘ্রই আমাদের দেশ নির্গত বায়ু দিয়ে অনেক কিছু করতে পারবে বলে মনে হচ্ছে।
তবে, চিন্তায় পরেছেন আসল সিলিন্ডার ব্যবসায়ীরা। তাদের বক্তব্য হচ্ছে, ‘আমরা তো ট্যেকা দিয়া একেকটা সিলিন্ডার কিনে আনি। এখন এরা যদি নিজেদের বায়ু দিয়েই এমন করে তাহলে তো আমাদের লস হয়ে যাবে। আবার আমরা এতদিন কিনে এসে এখন নিজের বায়ু ভরতেও আরাম পাবো না। দেশটা উচ্ছন্নে যাচ্ছে!’


