লোডশেডিংয়ে বিনোদনের অভাব: বাড়তে পারে জনসংখ্যা, শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

পঠিত ... ২ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে

দেশের চলমান তীব্র লোডশেডিং ও জ্বালানি সংকটের মাঝে এক অদ্ভুত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা করছেন জনমিতি বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, একদিকে যখন মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় স্ট্রেইট অব হরমুজ দিয়ে এলএনজি আসা বন্ধ হয়ে দেশ অন্ধকারে ডুবছে, অন্যদিকে সেই অন্ধকারই হয়ে উঠছে সাধারণ মানুষের একমাত্র বিনোদনের ক্ষেত্র। টেলিভিশন অচল, ইন্টারনেটে বাফারিং আর মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে যাওয়ায় দম্পতিদের হাতে এখন অফুরন্ত অবসর। আর এই জোরপূর্বক রোমান্টিকতার ফলে আগামী ৯-১০ মাস পর দেশে এক বিশাল বেবি বুম বা শিশু জন্মের জোয়ার আসার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের বাসিন্দা শফিক সাহেব ক্ষোভের সাথে জানান, আগে লোডশেডিং হলে ইউটিউবে নাটক দেখতাম বা নিউজ পড়তাম। এখন মোবাইলে চার্জ থাকে না, ডাটাও কাজ করে না। অন্ধকারে গরমে বউয়ের সাথে ঝগড়া করতে করতে একসময় ক্লান্ত হয়ে সন্ধি করতে হয়। বিনোদন বলতে তো আর কিছু বাকি নেই!

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিনোদনের আধুনিক মাধ্যমগুলো থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় মানুষ এখন প্রাগৈতিহাসিক বা আদিম বিনোদনের দিকে ফিরে যাচ্ছে। সমাজবিজ্ঞানীদের ভাষায় একে বলা হচ্ছে ব্ল্যাকআউট বেবি সিনড্রোম।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কাতার থেকে এলএনজি না আসা এবং ডলারের অভাবে স্পট মার্কেট থেকে তেল কিনতে না পারায় গ্রিড থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উধাও হয়ে যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা গ্রিডে বিদ্যুৎ দিতে পারছি না ঠিকই, কিন্তু সাধারণ মানুষ ঘরে ঘরে যে উৎপাদন শুরু করেছে, তাতে আগামী ২০ বছরে শ্রমশক্তির অভাব হবে না।

জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষক ড. নিঝুম রাত বলেন, সাধারণত একটি সচ্ছল পরিবারে বিনোদনের নানা উৎস থাকে। কিন্তু লোডশেডিং সব কেড়ে নিয়েছে। অন্ধকার ঘরে মশার কামড় আর হাতপাখার বাতাসের মাঝে দম্পতিদের ঘনিষ্ঠ হওয়া ছাড়া আর কোনো কার্যকর টাইম-পাস নেই। আমরা আশঙ্কা করছি, ২০২৬ সালের এই জ্বালানি সংকট ২০২৭ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি নাগাদ জন্মহার ২.১ থেকে একলাফে ৪.০-তে নিয়ে যেতে পারে।

এদিকে শোনা যাচ্ছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিনামূল্যে মোমবাতির বদলে প্রটেকশন কিট বিতরণের কথা ভাবা হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষের দাবি—জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে হলে হয় দ্রুত বিদ্যুৎ দিন, নয়তো অন্তত ইন্টারনেটের গতি বাড়ান যাতে মানুষ ফেসবুক স্ক্রল করে রাত পার করতে পারে!

বিদ্যুৎ বিভাগ যখন লোড ম্যানেজমেন্ট নিয়ে ব্যস্ত, দেশের শয়নকক্ষগুলোতে তখন চলছে প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্ট। লোডশেডিংয়ের এই আঁধারে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাম জেনারেটর, সোলার কিংবা হরমুজ রাখা হয় কি না—সেটাই এখন দেখার বিষয়।

দেশের চলমান তীব্র লোডশেডিং ও জ্বালানি সংকটের মাঝে এক অদ্ভুত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা করছেন জনমিতি বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, একদিকে যখন মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় স্ট্রেইট অব হরমুজ দিয়ে এলএনজি আসা বন্ধ হয়ে দেশ অন্ধকারে ডুবছে, অন্যদিকে সেই অন্ধকারই হয়ে উঠছে সাধারণ মানুষের একমাত্র বিনোদনের ক্ষেত্র। টেলিভিশন অচল, ইন্টারনেটে বাফারিং আর মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে যাওয়ায় দম্পতিদের হাতে এখন অফুরন্ত অবসর। আর এই জোরপূর্বক রোমান্টিকতার ফলে আগামী ৯-১০ মাস পর দেশে এক বিশাল বেবি বুম বা শিশু জন্মের জোয়ার আসার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের বাসিন্দা শফিক সাহেব ক্ষোভের সাথে জানান, আগে লোডশেডিং হলে ইউটিউবে নাটক দেখতাম বা নিউজ পড়তাম। এখন মোবাইলে চার্জ থাকে না, ডাটাও কাজ করে না। অন্ধকারে গরমে বউয়ের সাথে ঝগড়া করতে করতে একসময় ক্লান্ত হয়ে সন্ধি করতে হয়। বিনোদন বলতে তো আর কিছু বাকি নেই!

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিনোদনের আধুনিক মাধ্যমগুলো থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় মানুষ এখন প্রাগৈতিহাসিক বা আদিম বিনোদনের দিকে ফিরে যাচ্ছে। সমাজবিজ্ঞানীদের ভাষায় একে বলা হচ্ছে ব্ল্যাকআউট বেবি সিনড্রোম।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কাতার থেকে এলএনজি না আসা এবং ডলারের অভাবে স্পট মার্কেট থেকে তেল কিনতে না পারায় গ্রিড থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উধাও হয়ে যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা গ্রিডে বিদ্যুৎ দিতে পারছি না ঠিকই, কিন্তু সাধারণ মানুষ ঘরে ঘরে যে উৎপাদন শুরু করেছে, তাতে আগামী ২০ বছরে শ্রমশক্তির অভাব হবে না।

জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষক ড. নিঝুম রাত বলেন, সাধারণত একটি সচ্ছল পরিবারে বিনোদনের নানা উৎস থাকে। কিন্তু লোডশেডিং সব কেড়ে নিয়েছে। অন্ধকার ঘরে মশার কামড় আর হাতপাখার বাতাসের মাঝে দম্পতিদের ঘনিষ্ঠ হওয়া ছাড়া আর কোনো কার্যকর টাইম-পাস নেই। আমরা আশঙ্কা করছি, ২০২৬ সালের এই জ্বালানি সংকট ২০২৭ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি নাগাদ জন্মহার ২.১ থেকে একলাফে ৪.০-তে নিয়ে যেতে পারে।

এদিকে শোনা যাচ্ছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিনামূল্যে মোমবাতির বদলে প্রটেকশন কিট বিতরণের কথা ভাবা হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষের দাবি—জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে হলে হয় দ্রুত বিদ্যুৎ দিন, নয়তো অন্তত ইন্টারনেটের গতি বাড়ান যাতে মানুষ ফেসবুক স্ক্রল করে রাত পার করতে পারে!

বিদ্যুৎ বিভাগ যখন লোড ম্যানেজমেন্ট নিয়ে ব্যস্ত, দেশের শয়নকক্ষগুলোতে তখন চলছে প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্ট। লোডশেডিংয়ের এই আঁধারে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাম জেনারেটর, সোলার কিংবা হরমুজ রাখা হয় কি না—সেটাই এখন দেখার বিষয়।

পঠিত ... ২ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে

Top