চলছে টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার এইটের পর্ব।
এই বিশ্বকাপে মরার উপর খাড়ার ঘাঁ হয়ে ভারতের সাথে একই গ্রুপে থাকা ওয়েস্টইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা এক এক ম্যাচ জিতে নেট রান রেটে (NNR) দুই পয়েন্ট নিয়ে এগিয়ে আছে।
বেচারা মোড়লিজমে আক্রান্ত ভারত পড়েছে মহাফাপন্দে। পরের ধাপ; সেমিফাইনালে যেতে হলে তাদের কষতে হচ্ছে জটিল অংক। কিন্তু এ ধরনের অংক করার জন্য যে ধরনের সমীকরণের জ্ঞান থাকা প্রয়োজন, ভারতীয় দলের রয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় নিতান্তই নগণ্য। এমতাবস্থায় তারা শরনাপন্ন হতে যাচ্ছে ক্রিকেটিয় সমীকরণের মাসীহা, ইকুয়েশনের আলো, পথহারা পথিকের দিশা, অন্ধকারের জোনাকি দ্য বাংলাদেশের। এক ভুয়ো অফিসিয়াল বিবৃতি দিয়ে তারা এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চিঠি ইস্যু করেছে। বিসিসি সভাপতি জয় শাহ, দুঃখিত রজার বিনি জানিয়েছেন, এমন ইকুয়েশন আমরা করিনি। বোর্ড এ ধরনের কিছু বলেছে কিনা আমরা জানি না।
একরকম সাথে সাথেই আরেক কর্মকর্তা মিঠুন মাসহাস সভাপতিকে ফিসফিস করে বলেন, চাইছি বস, আইপিএলের মতো ‘জানি না’ বললে এখন মান্দার গাছে চড়ে বসে থাকতে হবে।
তারা অফিসিয়াল বার্তায় আরও বলেন, আমরা খাতা-কলম নিয়ে বসেছি, কিন্তু কিছুতেই মেলাতে পারছি না। চ্যাটজিপিটি বলেছে, তুই রেগুলার মুলা, গাজর খেলে আজ এমন হতো না। বাংলাদেশের ক্যালকুলেটরই তোদের বাঁচাতে পারে। এদিকে বাংলাদেশের সাথে যোগাযোগ করার পর বিসিবি জানিয়েছে, প্রতিবারই আমাদের এই ক্যালকুলেটর প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু এ বছর আমরা ক্যালকুলেটরকে বিশ্রাম দেবার জন্য বিশ্বকাপেই খেলতে যাইনি।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জয় শাহ নাকি নিজের ফেইক আইডি থেকে ক্যালকুলেটর চেয়ে ইনবক্স করেছেন বিসিবির অফিসিয়াল পেইজে। সেই মেসেজ নাকি এখনও সিন হয়নি।


