অরগাঞ্জা ওড়না পরলেই বাসায় হানা দিচ্ছেন ডিসি মাসুদ, সর্বমিত্র ও এবি জুবায়ের

৬৯৫ পঠিত ... ১৫:৪৬, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬

ঢাকা শহরের রমনা জোনের আওতাধীন ঢাবি, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, টিএসসি, মল চত্বর, নীলক্ষেতসহ আশেপাশের বিভিন্ন জায়গায় অরগাঞ্জা ওড়না পরে বের হলেই তরুণীরা কেমন এক হিমশীতল ভয়ংকর অনুভূতি পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। এসব এলাকায় কোনো কারণ ছাড়াই এক অস্বস্তি কাজ করছে তাদের ভেতর। রিপোর্ট আসছে, তাদের নাকি বেশ দূর থেকে ফলো করা হচ্ছে। আর দিন শেষে বাসায় ফিরলে ডিসি মাসুদ, সর্বমিত্র চাকমা ও এবি জুবায়েরের যৌথ টাস্কফোর্স বাসায় গিয়ে হানা দিয়ে উদ্ধার করে আনছে সেই অরগাঞ্জা ওড়নাগুলো।

সর্বমিত্র যেবার ডাকসু সদস্য হলো, তখন থেকে অরগাঞ্জা কাপড়ের প্রতি কেমন এক লোভ তৈরি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন তার আশপাশের মানুষজন। eআরকির কাছে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাবির এক ছাত্র বলেছেন, সর্বমিত্রের অরগাঞ্জার নেশা আছে। সে যেখানেই এসব দেখে, জোরজবরদস্তি করে নিয়ে নিতে চায়। ব্যাচেলর পয়েন্ট নামের এক সিরিয়ালে দেখানো শোকেন নামক এক নেশার মতো সর্বমিত্রের অরগাঞ্জার নেশা। কাউকে বাইরে থেকে বুঝতে দেয় না। আমরা কাছের মানুষ, যারা তারাই শুধু জানি।

শুধু সর্বমিত্রের শোকেন নেশা আছে এমন নয়। ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম করে আমরা জানতে পেরেছি, ডিসি মাসুদ, সর্বমিত্র ও এবি জুবায়ের স্পেসিফিক্যালি অরগাঞ্জার ভেতরে শোকেন-এর তৃপ্তিটা পান। দিন শেষে তিন ভাই বিভিন্ন জায়গা থেকে আটককৃত অরগাঞ্জা একত্র করে শোকেন। দিন শেষে এক-দেড় ঘণ্টা অরগাঞ্জার শোকেন নেশাটা না করলে দিনটাই বৃথা বলে মনে হয় তাদের।

এদিকে ঢাবি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় যারা অরগাঞ্জা কাপড়ের ওড়না পরেন, তাদের মধ্যে ভয়ভীতি কাজ করছে। এরকম ডাকসাইটে তিনজন ব্যক্তি যখন তাদের নোটিস করেন এবং রাতে বাসায় হামলা চালিয়ে ওড়না জব্দ করছেন, সেটা তাদের জন্য ট্রমার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এক ভুক্তভোগী ফেসবুকে স্টেটাস দিয়ে জানিয়েছেন, একবার ওরা আমার বাসায় এসে, অরগাঞ্জার ওড়না পরে বের হয়েছো কেন? জানো না ঢাকা শহর কতটা অনিরাপদ? তোমার যদি কিছু হয়ে যেত, এর দায় তো পুলিশের উপর চলে আসত। ডাকসুর নেতাদের ফাঁসাতে চাও? এই বলেই আমার ওড়নার জন্য ঘরে তল্লাশি শুরু করে। এর মধ্যে এবি জুবায়ের ভাই আমাকে বলতে শুরু করেন, তোমার অরগাঞ্জার ওড়নাটা দাও না, একটু শুঁকে শুঁকে দেখি। কী ভয়ানক একটা ব্যাপার।

ডিসি মাসুদ, সর্বমিত্র কিংবা জুবায়েরের সাথে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে, তাদের কেউ আমাদের ফোন ধরেননি। পুলিশ ও ডাকসু নেতাদের মধ্যে শোকেন নেশা ঢুকে যাওয়ায় প্রশাসনের হর্তাকর্তাদের মধ্যে বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ইন্টার্নাল ইনভেস্টিগেশনে এর সত্যতা পাওয়া গেলে শোকেন নেশা ছাড়ানোর জন্য দরকার হলে পাশা ভাইয়ের কাছে ৩ মাসের রিহ্যাবের ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বাস এসেছে পুলিশ ও ঢাবি প্রশাসনের কাছ থেকে। জনমনে তীব্র রোষানল সৃষ্টির আগেই এসব মানুষের অরগাঞ্জার শোকেন নেশা না ছাড়ালে ভবিষ্যতে রাস্তাঘাটে অপমান করতে মুখ কাঁপবে না বলে সতর্ক করছে ঢাবির শিক্ষার্থীরা।

৬৯৫ পঠিত ... ১৫:৪৬, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬

Top