সম্প্রতি শান্তিতে নোবেলজয়ী মাচাদো ঘোষণা দিয়েছেন তিনি তার পাওয়া নোবেলটি ট্রাম্পের সাথে ভাগ করে নিতে চান। শান্তিতে নোবেলের জন্য ট্রাম্পের রয়েছে নির্ভেজাল প্রেম। মাচাদোর প্রস্তাবে ট্রাম্প খুশি হয়ে যান, ভাবেন এইবার বুঝি তার প্রেম পূর্ণতা পাবে।
কিন্তু ট্রাম্পের এই মধুর দিবাস্বপ্নে আবহমান বাংলা সিনেমার প্রেমের বাঁধা চৌধুরি সাহেবের মতো মাঝখানে দাঁড়িয়েছে নোবেল ইন্সটিটিউট। তারা সাফ জানিয়েছে নোবেল কোনোভাবেই ভাগাভাগি করা যাবে না! এতে ভেঙে গেছে ট্রাম্পের স্বপ্ন, তিনি হৃদয়ে পেয়েছেন গভীর আঘাত।
আমাদের সাথে এক ফেক ফোনকলে তিনি বেশ গম্ভীর স্বরে জানান, আমি খুব খুশি হয়েছিলাম যখন মাচাদো আমার সাথে শান্তিতে নোবেলটা ভাগাভাগি করে নিতে চাইল। মেয়েটাকে আমি থ্যাঙ্কস ও জানালাম। আসলে শান্তিতে নোবেল আর আমি একসূত্রে গাঁথা। আমাকে ছাড়া নোবেলটা যেমন ভালো থাকবে না, তেমন আমিও ওকে ছাড়া ভালো থাকতে পারছি না। আমি যদি বুক চিঁড়ে দেখাতে পারতাম তাহলে আপনারা দেখতে পারতেন যে এই শান্তিতে নোবেলের জন্য আমার হৃদয়ে কেমন রক্তক্ষরণ হচ্ছে। কেউ বোঝে না এই বুকের ব্যথা, সবাই ভাবে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা!
ট্রাম্পের কথা শুনে আমাদেরও খানিকটা বুক ভারী হয়ে এলো, আমরা নোবেল ইন্সটিটিউটের সাথে একটি ফেক মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করলাম। নোবেল ইন্সটিটিউট জানালো, শান্তিতে নোবেল তো সেদ্ধ ডিম নয় যে ভাগাভাগি করে খাবে। যাকে দেওয়া হয়েছে সে ছাড়া অন্য কেউ এটা নিতে পারবে না, যতই কান্নাকাটি করুক।
এরপর আমরা ট্রাম্পকে আমাদের দেশের নোবেল দেওয়ার প্রস্তাব পাঠালে তাতে ট্রাম্প রাজি হননি। তিনি খানিকটা রেগেই বলেন, আমি শান্তির নোবেলটা চেয়েছি, অশান্তির না। এরকম নোবেল অফার করলে তোমাদের উপরও ৫০০% ট্যাক্স বসিয়ে দেবো!
এক পর্যায়ে কেঁদে ফেলেন ট্রাম্প। কাঁদতে কাঁদতে নোবেল ইনসটিউটের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, চৌধুরী সাহেব, আমি গরিব হতে পারি কিন্তু ছোটলোক না। তোরা নোবেল না দিলে আমি ডেলটা ফোর্স পাঠিয়ে নোবেলকেই আমার কাছে নিয়ে আসব।


