বাংলাদেশে অবশেষে তেলের সন্ধান মিলেছে। বহুদিন ধরে বিশেষজ্ঞরা গ্যাস, কয়লা আর লিথিয়াম নিয়ে গবেষণা করলেও যে তেলটা চোখের সামনেই ছিল, সেটা এতদিন কারও নজরে আসেনি। সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে এই তেল খনিজ তেল নয়, ভোজ্য তেলও নয়, এটি হচ্ছে রাজনৈতিক তেল।
রাজনৈতিক নেতাদের তেল দেওয়া বাংলাদেশে নতুন কোনো সংস্কৃতি নয়। আওয়ামী লীগ হোক, বিএনপি কিংবা জামায়াত সব দলেই কর্মীরা যুগ যুগ ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে এই তেল সরবরাহ করে আসছেন। কেউ ফেসবুক স্ট্যাটাস দেওয়ার মাধ্যমে, কেউ পোস্টারে, কেউ আবার লাইভ টকশোতে নেতাকে “ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ মানব” প্রমাণ করার চেষ্টার মাধ্যমে।
সম্প্রতি তারেক রহমানের দেশে ফেরার ঘোষণার পর এই রাজনৈতিক তেলের উৎপাদন যেন হঠাৎ করেই বহুগুণে বেড়ে গেছে। বিএনপির নেতা-কর্মীরা তেলের এমন বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন যে, দলীয় কার্যালয়ে এখন আর হাঁটা যায় না, সবখানেই পিচ্ছিল প্রশংসার আস্তরণ। এমনকি এক কর্মী তো তারেক রহমানের দেশে ফেরার নিউজ কাটিং ফ্রেম করে উপহার দিতেও কুণ্ঠাবোধ করেননি।
এই বিপুল পরিমাণ রাজনৈতিক তেলের খবর ছড়িয়ে পড়তেই নড়েচড়ে বসেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে যেখানে এত তেল সেখানে গণতন্ত্র রক্ষায় আমাদের যেতেই হবে। এক ফেক টুইটে ট্রাম্প জানান, আমি এতদিন মরীচিকার পেছনে ছুটেছি, বাংলাদেশের রাজনৈতিক কর্মীরা যে পরিমাণ তেল প্রডিউস করে তা দিয়ে আমেরিকার অনন্তকালের তেলের চাহিদা মিটবে। এদের আমার লাগবেই।


