তেলের লোভে ইরাক, লিবিয়া ঘুরে এবার ভেনেজুয়েলাতেও ‘গণতন্ত্র ডেলিভারি মিশন’ শেষ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্পের সরাসরি নির্দেশে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে নিউইয়র্কে গণতন্ত্রের হোম ডেলিভারির জন্য। হোয়াইট হাউস সূত্র বলছে, আপাতত ভেনেজুয়েলার তেল যতটুকু ছিল, সবই ‘সেফ হ্যান্ডে’ চলে এসেছে।
ভেনেজুয়েলার পাট চুকানোর পর এবার তাই বিশ্বজুড়ে নতুন তেলের উৎস খুঁজতে খুঁজতেই হঠাৎ ট্রাম্প প্রশাসনের নজর গিয়ে পড়েছে বাংলাদেশি পরোটার দিকে। বিশেষ করে পাড়ার মোড়ের নাস্তার দোকানের পরোটাগুলোকে তারা চিহ্নিত করেছে ‘হাই-রিস্ক অয়েল জোন’ হিসেবে। এক সাংবাদিক জানতে চাইলে, সবকিছু বাদ দিয়ে বাংলাদেশি পরোটার দিকেই নজর কেন, ট্রাম্প সোজাসাপ্টা উত্তর দেন, বাংলাদেশি পরোটায় গণতন্ত্র নেই। ওদের গণতন্ত্র দরকার। আমরা ওদের রক্ষা করব। পাশাপাশি ট্রাম্প আরও বলেন, এসব পরোটায় এত তেল জমে আছে যে, চাইলে আমরা পুরো নিউইয়র্কের রান্নাবান্না বছরখানেক চালানো যাবে। এগুলো শুধু পরোটা নয়, এগুলো একেকটা লিকুইড অ্যাসেট।
পেন্টাগন ইতোমধ্যে ‘অপারেশন পরোটা ফ্রিডম’ নামে একটি বিশেষ মিশনের নকশা চূড়ান্ত করেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথমে সকালের নাশতার দোকানগুলোতে মানবাধিকার পর্যবেক্ষক পাঠানো হবে। এরপর অতিরিক্ত তেল নিষ্কাশনের নামে পরোটা “ডিমিলিটারাইজ” করা হবে। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, প্রয়োজনে জাতিসংঘে প্রস্তাব তোলা হবে ‘পরোটায় অতিরিক্ত তেল মানবতার জন্য হুমকি।’ প্রস্তাব পাস না হলে, বরাবরের মতো ‘আমরাই ব্যবস্থা নেবো’ নীতিতেই এগোবে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে বাংলাদেশি পরোটা মালিক সমিতি পুরো বিষয়টি নিয়েই উদ্বিগ্ন। তাদের দাবি, পরোটার তেল আমাদের ঐতিহ্য, এটা সংস্কৃতি। এটা ছাড়া পরোটা আর পরোটা থাকে না। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এক সিনিয়র কর্মকর্তা ডালভাজির সাথে মচমচে পরোটা খেতে খেতে আমাদের বলেন, সংস্কৃতি থাকুক তবে তেলটা আমাদের লাগবেই লাগবে, এইসব নিয়ে চুদুরবুদুর চইলত ন।


