ক্লাব বিশ্বকাপে রিয়াল মাদ্রিদকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করার পর থেকেই বদলে গেছে পিএসজি ভক্তদের হাবভাব। হুট করেই তারা চান্দা মাছের ফ্যান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে শুরু করেছে ইউরোপের বিভিন্ন রাস্তায়। মাদ্রিদের রাস্তায় বানানো ভক্তদের টেম্পুস্ট্যান্ড এখন পিএসজির নিয়ন্ত্রণে। শুধু দখল নিয়েই ক্ষান্ত নয়, অভিযোগ উঠেছে—বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি করতে শুরু করেছে তারা।
এক মাদ্রিদ ভক্ত বলেন, আগে রাতবিরেতে চোর আসতো, এখন পিএসজি ভক্ত আসে। আর এসে বলে—আপনারা তো ক্লাব বিশ্বকাপে একটা গোলও দিতে পারেননি, এখন একটু দান খয়রাত করেন, ফুটবল উন্নয়নের জন্য লাগবে। তবে বিষয়টি শুধু মাদ্রিদ নয়, বরং লিভারপুল, বায়ার্ন, এমনকি গ্যালাতাসারয়ের ভক্তরাও অভিযোগ করেছেন যে তাদেরকেও পিএসজি ভক্তদের চাঁদার খাতায় তোলা হয়েছে।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে এক পিএসজি কর্মকর্তা জানান—আমাদের প্রেসিডেন্ট প্রতিদিন ইমো কলে নির্দেশনা দেন। উনি আমাদের সতর্ক করে বলেছেন ‘আমরা এসব ভুগিচুগির পক্ষে নাই। যারাই এসব করে ধরা খাবে তাদের মধ্যে কম করে হলেও ১০%কে বহিস্কার করে দিতে হবে। বাকি ৯০%কে হোয়াটসঅ্যাপে সতর্ক করা হবে। এতদিন ধরে আমরা নির্যাতিত ছিলাম সব ওপেন হয়েছে আমাদের উপরে, তাই বলে আমাদের কর্মীরাও এসব ওপেনে করবে, না এসব অ্যামেচার ক্রাইম কালচার ইউরোপের রাস্তায় আমরা হতে দেবো না।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে ওই কর্মকর্তা খায়রুল বাসারের জনপ্রিয় গান ‘ওপেনে আর কাম চলবে না কাম হবে সব গোপনে’ গানটির রিভার্স ভার্সন গাইতে গাইতে হঠাৎ কলটি কেটে দেন।


