বাংলাদেশিদের ইনবক্সে 'Hmm' শব্দের অর্থ উদ্ধার করতে পারছে না এফবিআই

৮২৯১ পঠিত ... ২১:৩৭, জুন ১৮, ২০২০

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই গত বেশ কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশিদের নানাবিধ তথ্য সংগ্রহ করছে। সারাহাহ, প্রিজমাসহ নামে বেনামে একগাদা থার্ড পার্টি অ্যাপের মাধ্যমে এফবিআই এই করছে বলে নিশ্চিত করেছে ফেসবুকের একাধিক সূত্র। বিভিন্ন নিউজসূত্রে আমরা জেনেছি, এফবিআইয়ের এই তথ্য অনুসন্ধানের সর্বশেষ প্রচেষ্টা ছিলো ফটোল্যাব অ্যাপ। কিন্তু এত বছরের নিরলস পরিশ্রম, গবেষণার পরও বাংলাদেশিদের ফেসবুক ইনবক্স থেকে পাওয়া বেশ কিছু সাইন ল্যাঙ্গুয়েজের কোন সঠিক ব্যাখ্যা পাচ্ছে না তারা। এফবিআইয়ের তথ্য মতে, hm, ki kro, god na8 সহ দেড় শতাধিক কোড নিয়ে আতঙ্কিত ও হতাশাগ্রস্থ মার্কিন এই গোয়েন্দা সংস্থা।

এফবিআই আজ এক অনলি মি কনফারেন্সে জানায়, 'আমরা হাজারখানেক ইনবক্স ঘেটে দেখেছি, এই hm সাইনটারই আছে বেশ কয়েকটি ভার্সন। hm, hmm, hmmm, hhm এমন নানান ভ্যারিয়েশন দেখেই আমরা কিছু আতঙ্কিত হয়েছি। এখনও পর্যন্ত আমাদের ধারণা, hm দ্বারা মূলত Hi Mossad বোঝানো হচ্ছে। মোসাদের সাথে যুক্ত হয়ে আমেরিকাকে সরিয়ে বিশ্ব শাসন করার কোন গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ এটা।

জানা গেছে, বিশেষ করে ফিমেল আইডিগুলোতে এই কোডের অতি ব্যবহার বেশি চিন্তিত করে তুলেছে এফবিআইকে। এফবিআইয়ের ধারণা, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নারী আসক্তিকে কাজে লাগিয়ে মোসাদ আমেরিকার বড় ধরণের কোন ক্ষতি করার চেষ্টায় আছে।

এ বিষয়ে আরেকটু বিস্তারিত জানতে আমরা যোগাযোগ করি এফবিআইয়ের এক উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তার সাথে। চিন্তার ভাঁজ পড়া কপালে হাত রেখে তিনি বলেন, 'রাত ৩টার সময় বেশিরভাগ ছেলেদের 'khaiso' মেসেজের রিপ্লাইতে সব মেয়েই 'hm' লিখে। এরপর আর কোন মেসেজ আদান প্রদান নাই। আবার ছেলে জিজ্ঞেস করে 'aso', মেয়ে 'hm' কোড পাঠিয়ে আবার চুপ। আমরা ধারণা করছি, বাংলাদেশের বেশিরভাগ ছেলেই মোসাদের এজেন্ট। তবে এই রহস্যের শীঘ্রই সমাধান হবে। এর আগে মোর্স কোড ব্রেক করার কাজ করেছেন এমন লোকজন নিয়ে আমরা দ্রুতই বসবো।'

তবে এফবিআইয়ের অন্য এক কর্মকর্তা মনে করেন, বড় আক্রমণ ইতোমধ্যে করা হয়ে গেছে। 'ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার' আন্দোলন ও নাইন এলিভেনের পেছনে মূলত এই 'hm' এরই হাত রয়েছে। তিনি আমাদের বলেন, 'H বর্ণটি ইংরেজি ৮ম বর্ণ, আর M হলো ২১তম। দুইটা যোগ করলে হয় ২৯। ২+৯=১১। নাইন এলিভিনের কথা মনে পড়ে? এবার আসেন ১১কে ভাঙ্গি। ১+১=২। ২ এর আধিক্য কোন সালে? হ্যাঁ, ২০২০ এর কথা বলছি। বর্ণবাদ বিরোধী সাম্প্রতিক হামলার কথা বলছি।' হিসেব শেষ করে কপালের ঘাম মুছতে মুছতে তিনি বলেন, এবার অপেক্ষা সামনের দিনের ধাক্কার জন্য।

তবে এফবিআইয়ের এমন আশঙ্কার কথা জানতে পেরে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার কাছে নিজের তথ্য যাওয়ায় আনন্দিত এক যুবক জানান, 'ভাইগোরে বইলেন, এই হুম এর মানে আমরাও জানি না। বড় তাজ্জব এক শব্দ এই হুম। একেক সময় একেক মানে। এই কোডের মানে যদি উনারা ব্রেক করতে পারে, জানাইতে বইলেন।'

৮২৯১ পঠিত ... ২১:৩৭, জুন ১৮, ২০২০

Top