নিজের এক্সদের “এক্স কার্ড” দেওয়ার জন্য তারেক রহমানকে অনুরোধ করলেন লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও

১২ পঠিত ... ৫ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে

কার্ড সিস্টেমের যুগান্তকারী সব পদক্ষেপ নিয়ে বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছেন তারেক রহমান। ক্ষমতায় এসেই যখন থেকে কার্ড ইকোনমির ট্রেন্ড শুরু করেছেন, তখন থেকেই উন্মাদনার হাওয়া বইছে আমেরিকা থেকে রাশিয়ায়। সবাই বিভিন্ন রকম কার্ড নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। এর মধ্যে তারেক রহমানের কাছে “এক্স কার্ড” দেওয়ার অনুরোধ করে বসেছেন লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও।

প্রেমিক ডিক্যাপ্রিও অন্য যেকারও চেয়ে একটু আলাদা। যখন প্রেম করেন, তখন চুটিয়ে প্রেম করেন, কিন্তু তার প্রেমের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় প্রেমিকার বয়স। প্রেমের ক্ষেত্রে তার একটি নির্দিষ্ট এক্সপায়ারি পলিসি আছে। প্রেমিকার বয়স ২৫ পার হলেই আর প্রেমটা জমে না, রোমান্সটা আর ন্যাচারালি আসে না। এজন্য ডিক্যাপ্রিওর আলাদা করে নাম আছে সেলিব্রিটি দুনিয়ায়। গত বিশ বছরে এমন অনেক প্রেমিকা হারিয়ে অনেক কষ্টে নতুন কাউকে খুঁজে পেতে হয়েছে। হয়তো দেখা হলেও তাদের মনে করতে পারেন না। এসব ঝুটঝামেলা থেকে রেহাই পেতেই “এক্স কার্ড”-এর আবদার তারেক রহমানের কাছে।

গতকাল রাতে বর্তমান প্রেমিকা, ইতালিয়ান মডেল ভিক্টোরিয়া চেরেট্টির সাথে গল্প করতে করতে বলছিলেন, দেখো, তোমার বয়স তো ২৭ হয়ে গেছে। আর কদিনই বা প্রেম টিকবে বলো? তবে তুমি চিন্তা করো না। আমি তারেক রহমানকে বলেছি এক্স কার্ডের বিষয়ে দেখার জন্য। তোমাকে দিয়েই শুরু করব এই কার্ডের বিলি-বণ্টন। এই কার্ড থাকলে দেখবে, তুমি যখন খুশি তখন আমাকে মনে করতে পারবে। মাসে একবার-দুইবার কল করলে আমার অ্যাসিস্ট্যান্ট সেই কল রিসিভ করে আমার সাথে কথা বলার ব্যবস্থা করে দেবে। আর বছরে একটা-দুটো ডিনারে আমরা পুরোনো দিনের স্মৃতি হাতড়ে খোশগল্প করতে পারব।

শোবিজ সাইট হলিউড ইনসাইডারের বরাতে এমন নিউজ করেছে সিনে রোমান্স।

এদিকে “এক্স কার্ড” প্রচলন করলে শুধু যে ডিক্যাপ্রিওর প্রেমিকারা প্রায়োরিটি পাবেন, এমন না। যে কেউ তার প্রাক্তনদের জন্য “এক্স কার্ড” নিতে পারবেন। একটি “এক্স কার্ড” হবে প্রাক্তনদের মনের কাছে একটি প্রায়োরিটি পাস। প্রাক্তনকে ফোন করা, ডিনার ডেটে নিয়ে যাওয়া, মন খারাপের কথা শোনানোসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়া যায় কিনা, সেটি নিয়ে ভাবা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কার্ড সমন্বয়কারী।

বিষয়টি নিয়ে অধিক ঘাঁটাঘাঁটি করে eআরকি টিম জেনেছে, পুরো বিষয়টি আসলে একটি প্রিমিয়াম সার্ভিস। “এক্স কার্ড” থাকলে প্রাক্তনরা সম্পূর্ণ ব্লকড হয়ে যাবে না, বরং লিমিটেড এডিশনে জীবনে একটুখানি জায়গা ধরে রাখতে পারবে। বর্তমানের উপস্থিতিতেও কিছুটা সময় কাটানো, নস্টালজিয়া শেয়ার করা-সহ আরও বিভিন্ন রকম সার্ভিস দিয়ে সাজানো হচ্ছে বলে দেশ ও দেশের বাইরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ হাইপ উঠেছে। তবে কার্ডের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ফিচার হিসেবে মধ্যরাতে কল দেওয়ার সুযোগ রাখা হবে কিনা, সেটি নিয়ে বিস্তর আলাপ এখনো চলছে। যদি ফিচারটি রাখা হয়, তাহলে হয়তো এর জনপ্রিয়তা ঠেকানোর মতো আর কোনো কিছুই থাকবে না কার্ডের জগতে।

১২ পঠিত ... ৫ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে

Top