দেশে তেল সংকট ও তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ার ফলে যখন সাধারণ মানুষ দিশেহারা, তখন নতুন এক আশার আলো খুঁজে পেয়েছেন গাড়ি মালিক ও বাইকার সমাজ। তারা এখন সরাসরি শরণাপন্ন হয়েছেন ত্যালফ্যাল ছাড়া জীবন-যাপনের অনলাইন গুরু মারজুক রাসেল ভাইয়ের।
অনলাইনে দীর্ঘদিন ধরেই ত্যাল ছাড়া সবজি খেয়ে দিব্যি বেঁচে থাকার জন্য বেশ সুখ্যাতি রয়েছে মারজুক ভাইয়ের। অনেকেই তাকে ‘ড্রাই লাইফস্টাইল ইনফ্লুয়েন্সার’ বলেও অভিহিত করে থাকেন। তাই দেশে যখন তেলের দাম শুনলেই মানুষ মাথা ঘোরায়, তখন গাড়ি মালিক ও বাইকাররা ভাবছেন, যিনি ত্যাল ছাড়া মানুষ চালাতে পারেন, তিনি নিশ্চয়ই ত্যাল ছাড়া গাড়িও চালাতে পারবেন।
রাজধানীর এক হতাশাগ্রস্ত বাইকার ভাই আমাদের বলেন, ভাই, এতদিন বাইকে অকটেন ঢালতাম, এখন ভাবতেছি একটু লাউয়ের ঝোল আর পানি মিশিয়ে দেখি। মারজুক ভাই যদি সবজি দিয়ে জীবন চালাতে পারেন, আমরা একটু সবজি দিয়ে বাইক চালাতে পারব না কেন? এদিকে কয়েকজন গাড়ি মালিক ইতিমধ্যে নিজেদের মধ্যে ত্যালবিহীন পরিবহন ফোরাম’ নামে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলেছেন। সেখানে প্রতিদিন নতুন নতুন আইডিয়া শেয়ার হচ্ছে। কেউ বলছেন, গাড়ির ট্যাংকে সরাসরি পানি ঢাললে অন্তত মনটা ঠান্ডা থাকবে।
তবে মারজুক ভাই তার এই গোপন তরিকাটি সবাইকে শেখাবেন কিনা, তা জানতে তাকে ফোন করা হলে তিনি সংক্ষিপ্ত কিন্তু রহস্যময় ভাষায় বলেন, ধূর ব্যাটা, এটা হইলো ব্যাটা! তার এই বক্তব্যের পর থেকেই গাড়ি মালিক ও বাইকার সমাজ এখন গভীর গবেষণায় নেমেছেন। কেউ বলছেন, এখানে হয়তো লুকিয়ে আছে কোনো দার্শনিক মেসেজ, আবার কেউ ধারণা করছেন এটা আসলে একটি কোড, যার পূর্ণ অর্থ জানতে হলে আগে অন্তত এক মাস ত্যাল ছাড়া জীবন-যাপন করে প্র্যাকটিক্যাল অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে।


