অনেকদিন পর পুলিশের শরীরে আবার সেই ঐতিহাসিক ফিলিং ফিরতে শুরু করেছে, এমনটাই জানালেন শাহবাগ থানার এক পুলিশ সদস্য। শিক্ষামন্ত্রীর সন্ধ্যার পর কিশোরদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বক্তব্যের পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষদের জিজ্ঞাসাবাদ, সন্দেহভাজন করা এবং ঐতিহ্যবাহী বেধড়ক পিটুনি কার্যক্রম নতুন করে চালু হয়েছে।
সম্প্রতি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকসেবী সন্দেহে কয়েকজন যুবককে পিটিয়ে আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করার পর পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক নস্টালজিয়া দেখা দিয়েছে। এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এই যে লাঠি তুলছি, মানুষ দৌড়াচ্ছে এই ভাইবটা অনেকদিন মিস করছিলাম। মনে হচ্ছিল চাকরি না করে কোনো এনজিওতে কাজ করছি।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের এই পুনর্জাগরণ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলেও পুলিশবাহিনীর অভ্যন্তরে বিষয়টি নিয়ে আত্মতৃপ্তির ঢেউ উঠেছে। শাহবাগ থানার এক পুলিশ সদস্য তার ফেক এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, অনেকদিন পর সাধারণ মানুষ পিটায়ে শরীলে একটা ভাব আইছে। পরিবেশটা সুন্দর না? পরে অবশ্য টুইটটি ভাইরাল হওয়ার পর অবশ্য পুলিশ সদস্য ভাইটি জামাত আমির সাহেবের মতো দাবি করেন, তার আইডি হ্যাক হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞরা অবশ্য পুলিশ বাহিনীর জনগণের প্রতি ক্ষোভ প্রশমনের জন্য নতুন এক উপায় বাতলে দিয়েছেন। রাস্তাঘাটে এভাবে সাধারণ মানুষ না পিটিয়ে, পুলিশ বাহিনী শরীরচর্চা কেন্দ্র খুলে পাবলিক পিটুনি থেরাপি নামে নতুন একটি সেবা চালু করতে পারে। যেখানে মাইর খেতে চাওয়া পাবলিককে মেরে পুলিশ নিজেও মানসিক শান্তিতে থাকতে পারবেন।


