১২ তারিখ ভ্যালেন্টাইন উইকের মাঝেই নির্বাচন। এদিকে ১৪ তারিখ আবার ভ্যালেন্টাইন ডে। সেজন্য এই ১২ তারিখকে সুবর্ন সুযোগ হিসেবে দেখছেন প্রেমিক-প্রেমিকা সমাজ। বাংলাদেশ প্রেমিক-প্রেমিকা অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৪ তারিখে বাসা থেকে বের হতে কড়াকড়ি থাকে তাই ভ্যালেন্টাইন ডেট ভোটের দিন অর্থাৎ ১২ তারিখেই সেরে ফেলা দরকার। সংগঠনটি এই ডেটের নামও দিয়েছে ভোটডেট। এ নিয়ে প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যেও দেখা গেছে ব্যাপক আগ্রহ।
ভোট ডেটের প্রস্তুতি নিতে থাকা এক প্রেমিক যুগলের সাথে কথা বলে জানা যায়, যার যার এলাকার ভোট কেন্দ্রকেই তারা মিটআপ পয়েন্ট হিসেবে সেট করেছে।
অন্য এক প্রেমিক যুগলকে বলতে শোনা যায়, লাইনে দাঁড়ানো অবস্থায় অন্তত দুই ঘণ্টা কথা বলা যাবে, আব্বু-আম্মুও সন্দেহ করবে না যে কার সাথে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি!
প্রেমের এমন সুবর্ন সুযোগ তৈরি করে দেয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদও দিয়েছেন অনেকে।
তবে সবাই যে খুশিতে আছে, তা কিন্তু নয়। এলাকার এক চিরকুমার ভোটার দীর্ঘশ্বাস ফেলে জানালেন, সবাই জোড়ায় জোড়ায় ভোট দিতে যাচ্ছে। আর আমি একা একা ইভিএম-এর বোতাম চেপে চলে আসবো। আমার জন্য তো ইভিএম-এ সিঙ্গেল নামে কোনো বাটনের ব্যবস্থা করলে খুব ভালো হয়।
এমনকি কিছু অসাধু প্রেমিক আবার ডাবল ডেটিং এর পায়তারাও করছে। এক কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে আরেক কেন্দ্রে অন্য প্রেমিকার সাথে দেখা করতে যাওয়ার প্ল্যান করার সময় ধরা খেয়ে এক যুবককে বলতে শোনা গেছে, আমি তো রিগিং করতে যাবো না, আমি জাস্ট পোলিং এজেন্ট হিসেবে ওর পাশে দাঁড়াতে যাবো।
অন্যদিকে প্রেমিক-প্রেমিকারা ইসির কাছে বেশ কিছু আবদারও করেছেন। ভোট ডেটকে সামনে রেখে তারা ইসির উদ্দেশ্যে বলেন, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে অন্তত একটা কাপল সেলফি জোন রাখতে হবে। লাইনে দাঁড়ানো অবস্থায় ঝগড়া মেটানোর জন্য বিশেষ মিটমাট ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে। যাদের ব্রেকাপ হয়ে গেছে, তাদের জন্য সহানুভূতি ভোট বা রিফান্ড পলিসি রাখতে হবে।


