ডাকসুর আয়োজনে কুয়াশার গান কনসার্টে বিনামূল্যে সিগারেট বিতরণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দার ঝড় উঠেছে। বিভিন্ন মহল থেকে একে ‘নৈতিক অবক্ষয়ের নতুন অধ্যায়’ বলে আখ্যা দেওয়া হলেও এই ঝড়কে সম্ভাবনার বাতাস হিসেবেই দেখছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন উদ্যোক্তা ওয়াল্টার হোয়াইট। তিনি জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে ডাকসু আয়োজিত যেকোনো ইভেন্টে স্টল দেওয়ার ব্যাপারে তিনি ‘খুবই সিরিয়াসলি’ ভাবছেন। তার মতে, যেখানে বিনামূল্যে সিগারেট বিতরণ করা যায়, সেখানে নিশ্চয়ই বিজনেস ইকোসিস্টেমের বিশাল সম্ভাবনা আছে।
ওয়াল্টার হোয়াইটের এই আগ্রহের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ডাকসু আয়োজনে স্টল দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন লাতিন আমেরিকার সফল ‘স্টার্টআপ ফাউন্ডার’ পাবলো এস্কোবারও। সূত্র জানায়, ডাকসু ইভেন্টকে তিনি দক্ষিণ আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সম্ভাব্য একটি ‘স্ট্র্যাটেজিক হাব’ হিসেবে দেখছেন।
তবে তারা সেখানে কী বিক্রি করবেন এমন প্রশ্নে এস্কোবার ভাই কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। বরাবরের মতো সংক্ষিপ্ত ভঙ্গিতে তিনি শুধু বলেন, সময় হলে সবাই জানবে। অন্যদিকে ওয়াল্টার ভাই খানিকটা খোলামেলা হয়ে বলেন, আপাতত কুক করছি, কুক শেষ হলে সারপ্রাইজ দেখতে পাবেন। তবে আমার প্রোডাক্ট কিন্তু ফ্রিতে মিলবে না, আগেই বলে রাখলাম। জেসি আমার ব্যবসায় এমনেই লালবাত্তি ঝুলায় রাখসে, এর ওপর আবার ফ্রি দিলে আমার স্টার্টআপ টিকিয়ে রাখা কষ্টকর হবে।
এদিকে শিক্ষার্থীদের একাংশ বিষয়টিকে ‘গ্লোবাল এক্সপোজার’ হিসেবে দেখছেন। তাদের ভাষায়, ‘ডাকসু যদি ওয়াল্টার কিংবা এস্কোবারদের মতো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড আনতে পারে, তাহলে ক্যাম্পাস র্যাংকিং বাড়বে, বিদেশি মিডিয়ায় কাভারেজ আসবে।’ তবে একইসাথে শিক্ষার্থীরা জানিয়ে রেখেছে, পরবর্তী ইভেন্টগুলোতেও ফ্রি সিগারেটের মতো সুবিধা না থাকলে নতুন কাউকে স্টল দিতে দেওয়া হবে না।


