স্বামী বা স্ত্রীর আত্মীয়-স্বজনকে in-law বলে কেন?

১২১৭ পঠিত ... ১৫:২৮, জানুয়ারি ১১, ২০২১

 অনেকের মনে হতে পারে যে স্বামী বা স্ত্রীর আত্মীয়রা রক্তের সম্পর্কীয় না, বরং তারা বৈবাহিক আইন সূত্রে আত্মীয় বলেই তাদেরকে in-law বলে। কিন্তু ব্যাপারটা পুরোপুরি এমন না।

'in-law' কথাটা এসেছে canon law থেকে। ক্রিশ্চিয়ান প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠিত চার্চ যখন কোনো ব্যাপারে আইন জারি করে, তখন সেটাকে ক্যানন ল বলে। বহু আইন এই ক্যানন ল- এর অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে আছে কোন আত্নীয়কে বিয়ে করা যাবে না, এই সম্পর্কিত আইনও।

ইংরেজিতে চতুর্দশ শতাব্দীতে সর্বপ্রথম in-law শব্দের ব্যবহার শুরু হয়। প্রথম দিকে শুধু Brother-in-law টার্মটাই প্রচলিত ছিল।

রক্তের সম্পর্ক নেই, এমন যেসব আত্মীয়কে বিয়ে করা নিষেধ ছিল, তাদেরকে শুরুর দিকে in-law বলা হতো। যেমন- স্বামী বা স্ত্রীর বাবা-মা, আগের ঘরের ছেলে-মেয়ে এবং সৎ ছেলে-মেয়ে। কিন্তু ১৯ শতকের শেষের দিকে ব্রিটেনের চার্চগুলো in-law এর ব্যাখ্যা আরও বিস্তৃত করে নতুন ক্যানন ল জারি করে। নতুন আইন অনুসারে স্বামী বা স্ত্রীর পরিবারের সব সদস্যকেই in-law এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়, মানে একজন অপরপক্ষের পরিবারের কোনো সদস্যকেই কখনো বিয়ে করতে পারবে না। এমনকি দম্পতির কোনো একজন মারা গেলেও না। অর্থাৎ, স্ত্রী মারা গেলে তার ছোট বোনকে বিয়ে করাটা আসলে ক্যানন ল’ বহির্ভুত।

১২১৭ পঠিত ... ১৫:২৮, জানুয়ারি ১১, ২০২১

আরও eআরকি

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

কৌতুক

রম্য

সঙবাদ

স্যাটায়ার


Top