ডক্টর এপিজে আব্দুল কালামের জীবনের আশ্চর্য সব ঘটনা

৮৩০ পঠিত ... ১৭:২১, অক্টোবর ১৫, ২০২০

আর সাত ভাইবোনের জন্য মা শুধু ভাত রাঁধতেন। কিন্তু ছোট ছেলেটার জন্য করতেন বাড়তি কয়েকটা রুটি। ভোর চারটেয় উঠে পড়তে বসবে ছেলেটা। তখন খিদে পাবে তো। শুধু তা-ই নয়। দিন-আনি-দিন-খাইয়ের সংসারে নামমাত্র পুঁজি থেকে কিনতেন বাড়তি কেরোসিন। কত রাত পর্যন্ত ছেলে পড়াশোনা করবে কে জানে! লেখাপড়া শিখেই যে এই ছেলে অনেক দূর যাবে, ঠিক জানতেন মা। স্বপ্ন দেখতেন, তাঁদের বাড়ির খুব কাছেই যে বঙ্গোপসাগর, সেই বিশাল সমুদ্রও ছাড়িয়ে যাবে তাঁর ছেলের নাম়ডাক।

সেই ছেলের নাম আবুল পাকির জয়নুল আবেদিন আবদুল কালাম। যাকে একনামে বিশ্ববাসী জানে এপিজে আবদুল কালাম হিসেবে। ভারতের প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, সাবেক রাষ্ট্রপতি। রকেট উন্নয়নের কাজে অবদানের জন্য তাঁকে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র মানব বা মিসাইল ম্যান অব ইন্ডিয়া বলা হয়।

এপিজে আব্দুল কালামের জীবনে রয়েছে অজস্র অদ্ভুত ঘটনা। যার কিছু তুলে ধরা হলো ইআরকির পাঠকদের জন্য।

 

কাজ তাঁর কাছে কাজ ছিলো না, ছিলো চ্যালেঞ্জ  

এই ঘটনাটি আবদুল কালামের ছাত্রাবস্থায়। শুনুন তাঁর জবানীতেই-

এমআইটির এরোনটিকস-এর ছাত্র থাকা অবস্থায় আমার ডিজাইন টিচার ছিলেন প্রফেসর শ্রীনিবাসন। একই সঙ্গে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধানও ছিলেন। আমরা একদিন চারজন ছাত্রের একটি করে দল গঠন করলাম। আমাদের দল নিম্নমানের হামলাকারী বিমানের ডিজাইন করলো। এরোডিনামিকের ডিজাইনের চার্জে বা দায়িত্বে ছিলাম আমি। এ নিয়ে অনেক সপ্তাহ ধরে কঠোর পরিশ্রম করেছি। আমার টিম-মেটরা সবাই তৈরি করলো অন্য অংশগুলো। যেমন প্রপালসন, কাঠামো, কন্ট্রোল ও ইন্সট্রুমেন্টেশন। যেহেতু আমাদের কোর্সের কাজ ততদিনে শেষ হয়ে গিয়েছিল তাই আমরা অনেক সময় বসে বসে আমাদের আইডিয়া ও গবেষণা নিয়ে আলোচনা করি। প্রজেক্টটি করে শিক্ষককে তাক লাগিয়ে দেবো এমন অভিপ্রায় ছিল সবার মধ্যে। তারা সবাই চাইছিল অগ্রগতি। কয়েক দিন পরে প্রফেসর শ্রীনিবাসন আমাদের ডিজাইন দেখতে চাইলেন, যা আমি তৈরি করেছি। আমি যখন তা তাকে দেখালাম গুরুত্ব দিয়ে তিনি সবকিছু  খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখলেন। তিনি কী রায় দেন তা জানতে আমি শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় দাঁড়িয়ে রইলাম। তার সামনে যে পেপারটি বিছানো সেদিকে তাকিয়ে তার আইভ্রু কিভাবে কুঞ্চিত হলো তা এখনও আমার মনে আছে। তারপর তিনি উঠে দাঁড়ালেন এবং আমার দিকে তাকিয়ে কিছু কথা বললেন। তার কথায় আমি হতচেতন হয়ে গেলাম। তিনি বললেন, কালাম এটা ততটা সুন্দর হয়নি। তিনি আমার ওপর থেকে চোখ সরিয়ে নিয়ে বলতে লাগলেন- তোমার কাছ থেকে আমি এর চেয়ে ভাল কিছু প্রত্যাশা করেছি। এটা নিরানন্দ এক কাজ। এতে আমি হতাশ। আমি হতাশ এ কারণে যে, তোমার মতো একজন মেধাবী এমন কাজ করতে পারে।

আমি প্রফেসরের দিকে তাকিয়ে রইলাম বাকশক্তিহীন। যে কোন শ্রেণীতে আমি ছিলাম সব সময় স্টার ছাত্র। কোনকিছুর জন্য কোনদিন শিক্ষকের বকুনি খেতে হয়নি। প্রফেসরের কথায় যতটা বিব্রত ও লজ্জিত হলাম তা আমার জীবনে নতুন এক অভিজ্ঞতা হয়ে রইল। এর একটুও আমি সহ্য করতে পারলাম না। প্রফেসর কিছু সময় মাথা দোলালেন এবং আমাকে বললেন, পুরো ডিজাইনটি আমাকে নতুন করে করতে হবে। প্রথমে স্কেচ থেকে শুরু করতে হবে। আমার সমস্ত ধারণা কাজে লাগাতে হবে চিন্তা করতে। লজ্জাবনত মুখে আমি তার কথা মেনে নিলাম। এরপর তিনি আরও একটি খারাপ খবর শোনালেন। আমাকে শুধু এ ডিজাইনটি নতুন করে করতে হবে তা-ই নয়, আমাকে তা শেষ করতে হবে তিন দিনের মধ্যে। তিনি বললেন, আজ শুক্রবার বিকাল ইয়ং ম্যান। সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে আমি একটি ত্রুটিবিহীন ডিজাইন দেখতে চাই। তুমি যদি তা করতে ব্যর্থ হও তাহলে তোমার স্কলারশিপ বন্ধ করে দেয়া হবে।

এবার আমি পুরোপুরি বাকশক্তি হারিয়ে ফেললাম। কলেজে পড়াশোনার জন্য আমার একমাত্র ভরসা স্কলারশিপ। এটা কেড়ে নেয়া হলে আমাকে পড়াশোনা বন্ধ করে দিতে হবে। আমার উচ্চাশা, পিতামাতার স্বপ্ন, আমার বোন ও জালালুদ্দিন আমার চোখের ওপর দিয়ে যেন ফ্লাশ দিয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে তারা আমার কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। এটা অবিশ্বাস্য যে, আমার প্রফেসরের কয়েকটি কথা আমার ভবিষ্যতকে উজ্জ্বল করেছে। তিনি এসব কথা না বললে আমার ভবিষ্যৎ হয়ে পড়তো বিবর্ণ।

আমি সঠিক পথে কাজ করে যেতে থাকি। নিজেকে প্রমাণ করতে হবে, প্রতিষ্ঠিত করতে হবে এমন দৃঢ় সংকল্প আমার মনে। আমি রাতের খাবার বাদ করে দিলাম। সারা রাত ড্রয়িং বোর্ডের ওপর মুখ উপুড় করে বসে রইলাম। আগে থেকে আমার মাথায় যেসব ধারণা ভাসছিল তা এবার এক করলাম। তারপর একটি আকৃতি কল্পনা করলাম, যা নিয়ে আমি কাজ করতে পারি। পরের দিন সকালেও পেশাদার একজন ব্যক্তির মতো আমি কাজ করে যেতে থাকি। নাস্তা ও সজীবতার জন্য সামান্য বিরতি নিই। এরপর আবার ফিরি কাজে। রোববার সন্ধ্যা নাগাদ আমার কাজ প্রায় শেষ হয়ে আসে। এটা একটি রুচিশীল, পরিচ্ছন্ন ডিজাইন। এ ডিজাইনটি নিয়ে আমি গর্বিত। যখন আমি এটিতে চূড়ান্ত টাচ দিচ্ছি আমার তখন মনে হলো রুমের ভিতর কেউ একজন এসেছেন। তিনি আর কেউ নন, সেই প্রফেসর। তখনও তার পরনে টেনিসের সাদা পোশাক। তিনি ক্লাব থেকে ফিরেছেন। তিনি এ রুমে ঢুকে কখন থেকে আমাকে অনুসরণ করছেন তা আমি জানি না। এবার যখন তার চোখে চোখ পড়লো তিনি তখন এগিয়ে এলেন। অনেকক্ষণ ধরে তিনি আমার কাজ দেখলেন। কড়াভাবে দেখলেন। তারপর তিনি সোজা হয়ে দাঁড়ালেন এবং হাসলেন। আমাকে অবাক করে দিয়ে তিনি স্নেহ দিয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। এরপর আমার পিঠ চাপড়ে বললেন, আমি যখন আগের ডিজাইন বাতিল করেছি, জানি তোমাকে আমি অনেক বড় চাপে ফেলে দিয়েছি। অসম্ভাব্য একটি সময়সীমা বেঁধে দিয়েছি, তার মধ্যে তুমি যে কাজ করেছো তা অসাধারণ। তোমার শিক্ষক হিসেবে আমি তোমাকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলাম যাতে তুমি তোমার আসল শক্তি দেখাতে পারো। দু’দিন পর তার এই কথাগুলো আমার কানে সুমধুর সংগীতের মতো মনে হলো।

 

সহকর্মীদের সন্তানদের নিয়ে ঘুরতে চলে গেলেন আব্দুল কালাম নিজেই

সহকর্মীদের সবসময়ই সহযোগিতা করেন আবদুল কালাম। একবারের ঘটনা, ছেলেমেয়েকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কথা থাকলেও কাজের চাপে তা ভুলে যান কালামের এক সহকর্মী। সন্ধ্যায় মনে পড়লে তিনি দ্রুত বাড়ি ফিরে দেখেন, আবদুল কালাম তাঁর ছেলেমেয়ে নিয়ে ঘুরতে চলে গেছেন।

 

সারাজীবনের সঞ্চয় দান করে দিলেন এক কথাতেই

ভারত সরকার দেশের প্রেসিডেন্টের দেখভাল করে। ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পরও দেখভালের দায়িত্ব নেয় সরকার। এই তথ্য জানতে পেরে নিজের সব সঞ্চয় ও আয় দান করেন ‘পিইউআরএ’ নামের নিজের‌ই গড়া একটি ট্রাস্টে। এর লক্ষ্য হলো প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে শহরের সুবিধা ছড়িয়ে দেওয়া।

 

রাষ্ট্রপতি ভবন ত্যাগ করেছেন একেবারে মুক্ত হাতে

ড. এ পি জে আবদুল কালাম যখনই বিদেশ যেতেন, তখনই দামি উপঢৌকন নিতে তিনি অভ্যস্ত ছিলেন। এর কারণ, এটাই রাষ্ট্রাচার। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশ ও জাতিরাষ্ট্রের কাছ থেকে সফররত বিদেশি রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানদের এ ধরনের উপঢৌকন নেওয়া একটি বৈশ্বিক প্রথা হিসেবে প্রচলিত রয়েছে। এই উপঢৌকন প্রত্যাখ্যান করা হলে তা কোনো জাতির প্রতি একটা উপহাস এবং ভারতের জন্য তা বিব্রতকর। সুতরাং, তিনি বিনা বাক্য ব্যয়ে এসব উপঢৌকন নিতেন। কিন্তু তিনি ফিরে আসার পরে তাঁর নির্দেশ থাকত, সব উপহারসামগ্রীর আলোকচিত্র তুলতে হবে। এর ক্যাটালগ করতে হবে। এরপর তা মহাফেজখানায় দিতে হবে। এরপরে তাঁকে আর কখনো উপহারসামগ্রীর দিকে ফিরে তাকাতেও দেখা যায়নি। তিনি যখন রাষ্ট্রপতি ভবন ত্যাগ করেছিলেন, তাঁকে এমনকি একটি পেনসিলও নিয়ে যেতে দেখা যায়নি।

 

রাষ্ট্রপতি হিসেবে কোনো ইফতার পার্টির আয়োজন করেননি তিনি

২০০২ সালে ড. আবদুল কালাম যখন রাষ্ট্রপতির পদ নিয়েছিলেন, তখন রমজান মাস। ভারতীয় রাষ্ট্রপতির জন্য এটা একটা নিয়মিত রেওয়াজ যে তিনি একটি ইফতার পার্টির আয়োজন করবেন। একদিন ড. কালাম তাঁর সচিব মি. নায়রাকে বললেন, কেন তিনি একটি পার্টির আয়োজন করবেন? কারণ, এমন পার্টির অতিথিরা সর্বদা ভালো খাবার খেয়ে অভ্যস্ত। তিনি মি. নায়ারের কাছে জানতে চাইলেন, একটি ইফতার পার্টির আয়োজনে কত খরচ পড়ে? মি. নায়ার তাঁকে জানালেন, প্রায় ২২ লাখ রুপি। ড. কালাম তাঁকে নির্দেশ দিলেন, কতিপয় নির্দিষ্ট এতিমখানায় এই অর্থ, খাদ্য, পোশাক ও কম্বল কিনে দান করতে হবে। রাষ্ট্রপতি ভবনের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম এতিমখানা বাছাইয়ের দায়িত্ব পেয়েছিল। ড. কালাম এ ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা পালন করেননি। এতিমখানা বাছাইয়ের পরে ড. কালাম মি. নায়ারকে তাঁর কক্ষে ডাকলেন এবং এক লাখ রুপির একটি চেক দিলেন। তিনি বললেন, তিনি তাঁর ব্যক্তিগত সঞ্চয় থেকে কিছু অর্থ দান করছেন। কিন্তু এ তথ্য কারও কাছে প্রকাশ করা যাবে না। মি. নায়ার এতটাই আঘাত পান যে তিনি বললেন, ‘স্যার, আমি এখনই বাইরে যাব এবং সবাইকে বলব। কারণ, মানুষের জানা উচিত, এখানে এমন একজন মানুষ রয়েছেন, যে অর্থ তাঁর খরচ করা উচিত, শুধু সেটাই তিনি দান করেননি, তিনি সেই সঙ্গে নিজের অর্থও বিলিয়েছেন।’ ড. কালাম যদিও একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান ছিলেন; কিন্তু তিনি রাষ্ট্রপতি ভবনে থাকার বছরগুলোতে কোনো ইফতার পার্টি দেননি।

 

রাষ্ট্রীয় খরচে আত্মীয়দের মেহমানদারি? কখনোই নয়

ড. কালাম তাঁর আত্মীয়দের একবার দিল্লিতে আমন্ত্রণ জানালেন। তাঁরা সবাই রাষ্ট্রপতি ভবনে অবস্থান নিলেন। তাঁদের নগর পরিদর্শন করাতে তিনি একটি বাস ভাড়া করলেন এবং সে অর্থ তিনি পরিশোধ করেন। কোনা সরকারি গাড়ি তাঁর আত্মীয়দের জন্য ব্যবহৃত হয়নি। ড. কালামের নির্দেশনা অনুসারে, তাঁদের থাকা-খাওয়ার খরচ হিসাব করা হলো। বিল দাঁড়াল দুই লাখ রুপি, যা তিনি পরিশোধ করেছেন। ভারতীয় ইতিহাসে এটা আর কেউ করেননি।

 

রাষ্ট্রপতির প্রটোকল থেকেও যার কাছে বড় ছিলো সৌজন্যবোধ

মেয়াদ শেষ হয়ে এলে তিনি রাষ্ট্রপতি ভবন ছেড়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তখন সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাঁর সঙ্গে দেখা করে বিদায়ী শ্রদ্ধা জানান। মি. নায়ার এভাবেই শ্রদ্ধা জানাতে রাষ্ট্রপতির কাছে একা গিয়েছিলেন। তিনি তাঁর স্ত্রীকে সঙ্গে নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেটা হয়ে ওঠেনি। কারণ, স্ত্রীর পা ভেঙে গিয়েছিল বলে তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন। ড. কালাম জানতে চাইলেন, তিনি কেন তাঁর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে আসেননি। তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, দুর্ঘটনাকবলিত হওয়ার কারণে তিনি শয্যাশায়ী।

পরের দিন। মি. নায়ার শশব্যস্ত হয়ে এদিক-ওদিক তাকালেন। কারণ, তিনি হঠাৎ দেখলেন, তাঁর ঘরের চারপাশে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী ছেয়ে ফেলেছে। নিরাপত্তারক্ষীরা জানালেন, ভারতের রাষ্ট্রপতি তাঁর ঘরে আসছেন। রাষ্ট্রপতি গৃহে প্রবেশ করলেন। মিসেস নায়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। এবং কিছুক্ষণ খোশগল্পের পরে চলে গেলেন। মি. নায়ার তাঁর ওই সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘কোনো দেশের প্রেসিডেন্ট একজন সিভিল সার্ভেন্টের ঘরে এভাবে যাবেন না। তাও এমন এক ঠুনকো অজুহাতে।’

কর্মজীবনে ঠিক দুদিন ছুটি নিয়েছিলেন, মায়ের আর বাবার মৃত্যুদিনে। ২০১৫ সালে তাঁর মৃত্যু হয়। তার আগেই বলে গিয়েছিলেন, ‘আমার মৃত্যুতে ছুটি ঘোষণা কোরো না। আমায় যদি ভালবাসো, মন দিয়ে কাজ করো সে দিন।‘

এই বিশ্ববাসীর হয়তো বহুদিন অপেক্ষা করতে হবে, আরেকজন আবুল পাকির জয়নুল আবেদিন আবদুল কালামের জন্য।

 

৮৩০ পঠিত ... ১৭:২১, অক্টোবর ১৫, ২০২০

আরও eআরকি

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

কৌতুক

রম্য

সঙবাদ

স্যাটায়ার


Top