বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চালু হচ্ছে Department of comeback, বিশ্বকাপ শেষেই Dean হিসেবে দায়িত্ব নেবেন মেসি

২৯ পঠিত ... ১৮ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে

ফুটবলের সবুজ গালিচায় সদ্য সমাপ্ত সেমিফাইনালের নাটকীয়তায় মুগ্ধ বিশ্ব। কিন্তু মাঠের সেই রোমাঞ্চকে পুঁথিগত বিদ্যায় রূপান্তর করতে নড়েচড়ে বসেছে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। সূত্র বলছে, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই দেশের বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে দেশের প্রথম ‘ডিপার্টমেন্ট অব কামব্যাক’ বা ‘প্রত্যাবর্তন অনুষদ’। আর এই বিশেষ অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছেন স্বয়ং লিওনেল মেসি।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) একটি উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে, সাম্প্রতিক বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ‘শেষ মুহূর্তের গোল’ এবং ‘পিছিয়ে পড়ে জয়ের’ পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এই নতুন বিভাগ খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কেবল ফুটবল মাঠে নয়, জীবনের চরম হতাশাপূর্ণ মুহূর্তেও কীভাবে হার না মেনে জয় ছিনিয়ে আনা যায়, তা শেখার জন্য এই বিভাগের কোনো বিকল্প নেই। 

পাঠ্যক্রমের প্রধান বিষয় হিসেবে থাকবে— 

পেনাল্টি মিসের পর মানসিক ভারসাম্য রক্ষা

এবং দুই গোল খেয়েও কীভাবে ড্রেসিংরুমে হাসি বজায় রাখা যায়।

এদিকে, ডিন হিসেবে মেসির নিয়োগের খবরটি একাডেমিক মহলে রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছে। জানা গেছে, মেসি তার নতুন দায়িত্বের জন্য ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ সিলবাস বা কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছেন। তার অধীনে শিক্ষার্থীদের ফিল্ড ওয়ার্কের জন্য কোনো ল্যাবরেটরি বা ক্লাসরুমের প্রয়োজন হবে না। পরিবর্তে, তাদের আটলান্টা বা মেটলাইফ স্টেডিয়ামের মতো কঠিন পরিস্থিতির মুখে সরাসরি রিয়েল-টাইম প্র্যাকটিস করতে হবে।

একাডেমিক কাউন্সিলের এক প্রবীণ সদস্য বলেন, আমরা এতদিন বলতাম পিএইচডি করতে পাঁচ বছর লাগে। কিন্তু মেসি আমাদের শিখিয়েছেন, মাত্র ১১ মিনিটে কীভাবে পুরো পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া যায়। আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার আগের রাতে পড়াশোনা না করে যেন শেষ মুহূর্তের এই ‘কামব্যাক’ ট্রিকসগুলো রপ্ত করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এই নতুন বিভাগ নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যেও ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেছেন যে, প্রথাগত বিষয়ের চেয়ে এই বিভাগের ডিগ্রি তাদের বাস্তব জীবনে বেশি কাজে আসবে। তবে বিপত্তি বেঁধেছে কিছু শিক্ষার্থীকে নিয়ে, যারা মেসিবিরোধী। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের পর এই বিভাগ খোলার বিষয়টি কি কেবল একটি সাময়িক উত্তেজনা, নাকি আসলেই এটি স্থায়ী কোনো অনুষদ?

ইউজিসি জানিয়েছে, বিভাগের নাম আপাতত ‘ডিপার্টমেন্ট অব কামব্যাক’ রাখা হলেও, ভবিষ্যতে এটি ‘ইন্সটিটিউট অব লাউতারো মার্টিনেজ স্টাডিজ’ হিসেবে সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে। আপাতত, সব দৃষ্টি এখন ১৯ জুলাইয়ের ফাইনালের দিকে। ডিন মেসি সেদিন কি কোনো ‘ক্লাসিক কামব্যাক’ দিয়ে তার নতুন কর্মজীবনের শুভসূচনা করবেন? সেই উত্তরের অপেক্ষায় পুরো শিক্ষাঙ্গন।

২৯ পঠিত ... ১৮ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে

Top