ফেব্রুয়ারি মানেই যুগলদের জন্য প্রেমের মাস আর সিঙ্গেলদের জন্য ট্রমার মাস এমনটাই রীতি হয়ে উঠেছিলো এতদিন। তবে চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন ঘোষণা করায় সেই ঐতিহ্যবাহী ট্রমা থেকে আংশিক মুক্তি পেয়েছে দেশের সিঙ্গেল জনগোষ্ঠী। বিষয়টিকে ‘ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত’ আখ্যা দিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সিঙ্গেল সোসাইটি।
সিঙ্গেল সোসাইটির মুখপাত্র এক দীর্ঘদিনের সিঙ্গেল নাগরিক বলেন, প্রতিবছর এই মাসে আমরা চকলেট, গোলাপ আর কাপল সেলফির আগ্রাসনে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ি। কিন্তু এবার সবাই ব্যস্ত ভোট, পোস্টার আর নির্বাচনী নাটক নিয়ে। কেউ আর ‘হ্যাপি ভ্যালেন্টাইনস’ বলার সময় পাচ্ছে না এটা আমাদের জন্য বড় স্বস্তির। তিনি আরও বলেন, ভোটের পোস্টার, ব্যানারের নিচে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের ভ্যালেন্টাইন অফারের ছবি ঢেকে যাওয়াটা আমাদের জন্য একটি প্রতীকী বিজয়। এবার আমরা কাপলদের ডেট নাইটের বদলে টকশোতে প্রার্থীদের ঝগড়া দেখতে পারছি যা অনেক বেশি রিলেটেবল।
এদিকে সিঙ্গেল সোসাইটির পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে, সিঙ্গেলদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ভবিষ্যতেও যেন সব মিঙ্গেলমুখী গুরুত্বপূর্ণ দিবস যেমন ভ্যালেন্টাইনস, রোজ ডে, প্রমিস ডে তে এমন নির্বাচনী কর্মকান্ড রাখা হয়। নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা অবশ্য বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য না করে শুধু বলেছেন, আমরা গণতন্ত্রের স্বার্থে নির্বাচন দেই, সিঙ্গেলদের স্বার্থে নয় তবে তারা খুশি হলে আমরাও খুশি, কারণ এককালে তো সবাই সিঙ্গেল ছিলাম।


