ব্যাচেলর সমাজের খাওয়া দুইভাগে বিভক্ত। এক, ডিম ভাজা, দুই, ডাল আর ডিম সিদ্ধ।
কিন্তু মাঝেমাঝেই যত্রতত্র, যেখানে ডিম ছুঁড়োছুড়ির খবর সেই দশ বছর যাবত পড়ে থাকা বোমাটির গায়ের মরিচার পুরুত্বের মত ক্ষত-বিক্ষত করে একটা গোষ্ঠীকে; ব্যাচেলর। সম্প্রতি এমনি এক ঘটনার খবর টেলিকাস্ট করতে থাকা এক সাংবাদিকের সামনে হুমড়ি খেয়ে পড়েন কয়েকজন ব্যাচেলর।
তারা বলেন, কেন এমন হয় প্রিয়া?
সাংবাদিক এমন প্রশ্নে হকচকিয়ে গেলেও পরবর্তীতে বুঝতে পারেন এই ডিম অবসেসড ব্যাচেলর ভাইটি ডিমকে তার নিত্যসঙ্গী ভাবতে ভাবতে ডিমের এমন অপচয়ে হিতাহিত বোধ হারিয়ে ফেলেছেন।
বাসায় ডিম থাকলেও তাকে প্রায়ই ডিমের আড়তের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
পাশের আরেক মুরুব্বি ব্যাচেলর জানান, সিনেমায় ডিম ফাটানোর দৃশ্য দেখলেও এই যুবক টিভি স্ক্রিন আগলে ধরে। এমন আরও কয়েকজনই আছে।
এই যুবক eআরকিকে জানায়, মূলত আমরা ডিমরক্ষী বাহিনীর সদস্য হতে চাই। তাই এখানে নিজেদের দাবী জানান দিতে আসা। আমাদের মেসে মারুন ডিম। তাতে কষ্ট হলে কবে কোথা মারবেন জানালে আমরা প্লেট, কড়াই, গামছা, তেল, চুলো নিয়ে চলে আসবো। লাইভ ডিম মারা, লাইভ ভাজি।
কাজকে সহজ করতে করতে তারা একটা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলার কথাও জানান। গ্রুপের নাম হবে ‘ডিম আসবেই!’
আরেক ব্যাচেলর বলেন, ডিম ছোড়ার ক্ষেত্রে কোয়েলের ডিম ছুড়লে খরচ কম হবে। ঐ ডিম সিদ্ধ করতে গ্যাসও কম খরচ পড়বে।
ফ্যাশন সচেতন এক ব্যাচেলর চুল ঝাপটা মেরে বলেন,
ঐ মাথার চুলগুলো খুব রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে, ইয়ে মানে আমায় যদি ছোড়ার মাঝখানে দুদণ্ড ঠাঁই করে দেন, গার্লফ্রেন্ড বলেছে এমন পাটের আঁশের মতো চুল তার ভাল লাগে না। আমার সংসার বাঁচান। এমন কাউকে ভোট দিবো যে আমার এই সুক্ষ্ম ব্যাপারগুলোতে নজর দেবে।
ব্যাচেলর সমাজ চায় তাদের এই আর্তি পৌঁছে যাক ডিম ম্যানেজমেন্ট কর্তৃপক্ষের দ্বারে দ্বারে। তাদের থিম সং হোক, ডিমগুলো তোমার ঘরে বৃষ্টি হয়ে নেমে আসুক।


