যেভাবে বুঝবেন আপনিও ওয়েনসডে

২১৩ পঠিত ... ১০ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে

ওয়েনসডে নেটফ্লিক্সের সবচেয়ে জনপ্রিয় শো যা ইতিমধ্যে আড়াইশো মিলিয়নের বেশি ভিউ অতিক্রম করে ফেলেছে। কাল্পনিক চরিত্র হলেও আমাদের বাস্তব জীবনের সাথে তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলো অনেকাংশেই মিলে যায়। চলুন দেখি কীভাবে বুঝতে পারবেন যে আপনিও আসলে ওয়েনসডে। ভালো কথা, এই আইডিয়াগুলো করেছেন ফাহিম আনাম মেঘ। 

 

১. আপনি পুরোপুরি আবেগহীন। আপনার ভিতরে কী চলছে তা একদমই কাউকে বুঝতে দেন না। আপনার ভেতরে ভেতরে ঝড় বয়ে গেলেও বাইরে আপনি একদমই ভাবলেশহীন আর শান্ত। সব দুঃখ, কষ্ট, আবেগ, অনুভূতি নিজের মধ্যে চেপে রাখেন; কখনো প্রকাশ করেন না।

 

২. আপনি অনেক হিসাবী, মেপে কাজ করতে পছন্দ করতে করেন। যেকোনো কাজ করার আগে মাথার ভেতরে ছক কষতে পছন্দ করেন। আর আপনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষমতা বেশ ভালো, ক্যালকুলেটিভ রিস্ক নিতেও আপনি বেশ পটু।

 

৩. আপনি মিথ্যা প্রশংসা না করে মুখের ওপর সত্য কথা বলেন। সত্য শুনতে সামনের মানুষটার তেতো লাগলেও আপনি পরোয়া করেন না। এভাবে সত্য বলায় মাঝেমধ্যে অসুবিধায় পড়লেও আপনি পেছপা হন না।

 

৪. অন্যরা ভয় পেলেও সংবেদনশীল কৌতুক শুনে আপনি হেসে ফেলেন। সবাই ইতস্তত বোধ করলেও ‘সোশ্যাল অ্যাংক্সাইটি’কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আরাম করে হাসতে পারেন।

 

৫. সবার মনোযোগ থেকে দূরে থাকতে ভালোবাসেন। অন্যের মন্তব্য নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামান না। লোকে অসামাজিক বললেও ভিড় থেকে নিজেকে আড়াল করে রেখে মানসিক শান্তি অনুভব করেন।

 

৬. আপনি অন্যায় দেখলে চুপ না থেকে প্রতিবাদ করেন। প্রয়োজনে নিয়ম ভাঙেন কিন্তু নিজের নৈতিকতার অবস্থান ধরে রাখেন।

 

৭. আপনার সাহসী মনোভাব অনেক দৃঢ়। ব্যথা, হুমকি, এমনকি মৃত্যুভয়ও আপনাকে টলাতে পারে না। আপনাকে কেউ কোনো বিষয়ে ভয় দেখালে উল্টো আপনার জেদ আরও বেড়ে যায়।

 

৮. স্বাধীনচেতা মনোভাব রয়েছে আপনার মাঝে। আপনি কাউকে অনুসরণ করতে যান না। বরং নিজের মতো করে নিজের জন্য নিয়ম বানিয়ে নেন।

 

৯. আপনার আবেগ-অনুভূতিকে আপনি বেশ ভালো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। রাগ, দুঃখ, ভালোবাসা-কোনোকিছুই আপনি মাত্রাতিরিক্ত প্রদর্শন করেন না।

 

১০. সমাজ প্রায়শই আপনাকে ভুল চোখে দেখে। মানুষ মনে করে আপনি অনুভূতিহীন কিন্তু আসলে আপনি মানুষ হিসেবে শুধু একটু অন্যরকম।

 

১১. আপনি সঙ্গী বা বন্ধু নির্বাচন অনেক ভেবে চিন্তে করেন। সবাইকে আপনি আপন করেন না কিন্তু একবার কাউকে আপন করলে তার জন্য অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পারেন।

 

১২. নিজের জীবনকে নিজের মতো করে সাজাতে ভালোবাসেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ট্রেন্ড, বিভিন্ন সামাজিক চাপ-এসব হাবিজাবি থেকে শুরু করে দুনিয়ার কোনো কিছুতে আপনার কোনো যায় আসে না। নিজের জন্য বানানো নিয়মে খেয়ালখুশি মতো থাকতে পছন্দ করেন।

২১৩ পঠিত ... ১০ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে

Top