হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিস যেন এক মুহূর্তের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো হলের গেস্টরুমে পরিণত হলো! ডোনাল্ড ট্রাম্প একেবারে অভিজ্ঞ সিনিয়র ভাইয়ের মতো ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ডেকে এনে গেস্টরুম করিয়ে ছেড়েছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ছাত্রলীগের ‘গেস্টরুম’ পরিচিত এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা, যেখানে সিনিয়ররা জুনিয়রদের ডেকে নিয়ে নানা রকম ‘শিক্ষা’ দিত। ট্রাম্প ও জেলেনস্কির বৈঠকে ট্রাম্পের দাপট, কথার চাপ, এবং জেলেনস্কির অসহায়ত্ব দেখে মনে হচ্ছে, আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেও গেস্টরুম পদ্ধতি চালু হয়ে গেছে!
বৈঠকের শুরুতেই জেলেনস্কি স্বভাবসুলভ আত্মবিশ্বাস নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন। কিন্তু ট্রাম্প তখন পুরোপুরি ‘সিনিয়র ভাই’ মুডে। নেটিজেনদের ভাষ্যমতে, ট্রাম্পের শরীরী ভাষা বলছিল—এই জুনিয়র এত কথা বলার সাহস পায় কোত্থেকে? জেলেনস্কি আমেরিকার সামরিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে চাইলেও, ট্রাম্প বৈঠকের পুরোটা সময়জুড়েই ছিলেন দাদাগিরি মুডে। নেটিজেনদের মতে, এটি ছিল সেই চিরচেনা ছাত্রলীগীয় গেস্টরুমের আন্তর্জাতিক ভার্সন। এমনকি শুধু ট্রাম্প নয় তার ভাইস প্রেসিডেন্ট জুনিয়রদের মতো জেলেনস্কিকে একহাত নেন। পুরো ঘটনার আকস্মিকতায় জেলেনস্কি সাকা চৌধুরীর মতো ‘মাননীয় স্পিকার আমি তো চোদনা হয়ে গেলাম’ মুডে চলে যান। পরে হোটেলে ফিরে বালিশে মুখ গুজে কান্না করেছেন কিনা সে সম্পর্কে আমরা অবশ্য কিছু জানতে পারিনি।
বাংলাদেশি ছাত্রদের কাছে গেস্টরুম নতুন কিছু নয়, কিন্তু আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এমন দৃশ্য বিরল! নেটিজেনরা বলছেন, বিশ্ব এখন ছাত্রলীগীয় কায়দায় চলতে শুরু করেছে। ট্রাম্প প্রমাণ করলেন, ‘গেস্টরুমিং’ শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের হলেই হয় না, বড় বড় প্রেসিডেন্টদেরও মাঝে মাঝে সিনিয়র ভাইদের সামনে অসহায় হয়ে যেতে হয়। তবে ছাত্রলীগের এই শিল্পকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনলাইনে জার জার ওবস্তান থেকে আনন্দ মিছিল করেছে ছাত্রলীগের পলাতক শাখার কর্মীরা।