ওয়ার্ক ফ্রম হোমের যে ১০টি অসুবিধা ঘরে ঘরে সব চাকরিজীবীরাই বোধ করছেন

৫৮৮ পঠিত ... ২৩:৫৮, এপ্রিল ২৯, ২০২০

লকডাউনের কারণে জরুরি সেবা ব্যতিত বাকি সব চাকরিজীবীরাই ওয়ার্ক ফ্রম হোম মডেলে কাজ করছে। প্রতিদিন অফিসে যেতে হওয়ার সময়ে সবাই কম-বেশি ভাবতো, অফিসে না গিয়ে বাসা থেকে কাজ করার সুযোগ পাওয়া গেলে নিশ্চয়ই খুব দারুণ ব্যাপার হবে! অথচ কোথায় কী দারুণ! নিদারুণ এক পরিস্থিতিতে পড়েছেন ওয়ার্কিং ফ্রম হোম কর্মীবৃন্দ! ওয়ার্ক ফ্রম হোমের নিত্যদিনের হাজারও অসুবিধা থেকে দুইটি শূন্য বাদ দিয়ে ১০ টি অসুবিধা তুলে ধরা হলো আপনাদের জন্য। যদি ওয়ার্কার ফ্রম হোম হন। রিলেট করতে পারবেন!

১# আধাঘন্টার কাজ কখনোই আধাঘন্টায় শেষ হয় না। ১০ মিনিটের ব্রেকও শেষ হয় না ১০ মিনিটে।

২# বেকার বন্ধুবান্ধব ফোন দিলে খুব ভাব নিয়ে বলা যায় না, 'আমি তো অফিসে। আয়, চা খায়া যা?'

৩# কাজ করতে করতে বিরক্ত হলে পাশের কলিগের সাথে গসিপ করা যায় না। টি-ব্রেকে গিয়ে এক ঘন্টা পাড় করেও ফেরা যায় না।

৪# অফিসের কাজ নিয়ে টানা বসে থাকলে বাসার লোকজন মনে করে কাজ নাই, বাসার কাজ এড়ানোর জন্য হুদাই ভং ধরতেছি। বাসার কাজে বেশি সময় দিয়ে ফেললে অফিসের লোকরা মনে করে বাসায় কাজ নাই, হুদাই ভং ধরতেছি...

৫# নিরবচ্ছিন্ন কাজ করার জন্য অনেক অফিসে ফেসবুক, ইউটিউবের সাইট ব্লক থাকে। বাসার সার্ভারে ব্লক থাকে না। কী হয় বুঝতেই পারছেন...

৬# অফিস লাইফ আর নরমাল লাইফ মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। কাজের মাঝের বাচ্চা সামলানো কিংবা বাচ্চা সামলানোর মাঝেই কাজ করা! বহুত প্যারা...

৭# অফিসের স্মার্ট, আকর্ষণীয় কলিগদের ডেস্কে গিয়ে তাদেরকে সাহায্য করা যায় না। বাইরে গিয়ে নিজের বা আশেপাশের অন্য অফিসের সুন্দর/সুন্দরী, স্মার্ট ছেলে/মেয়েদের সাথে আড্ডা মেরে কাজের জন্য মোটিভেশন নেয়া হয় না!

৮# অফিসে নতুন জয়েন করা জুনিয়র কলিগটারে জ্ঞান দিয়ে নিজেকে জাহির করার সুযোগ একদমই থাকে না।

৯# নিজেকে ফ্রিল্যান্সার মনে হয় (মাসের শেষ সপ্তাহ বাদে!), একটা ড্যামকেয়ার ভাব চলে আসে। করলে করবো, না করলে নাই।

১০# সবচেয়ে বড় কথা ওয়ার্ক ফ্রম হোমে কোন হলিডে, উইকএন্ড কিছুই থাকে না। থাকলেও ঠিক ধরা যায় না... কখন আসলো, কখন গেলো!

৫৮৮ পঠিত ... ২৩:৫৮, এপ্রিল ২৯, ২০২০

Top