ডার্ক বোঝার জন্য বাসায় বুয়েটের ভাইয়ার কাছে সিজন থ্রি দেখছে ছেলেমেয়েরা

৫৮৯৭ পঠিত ... ১৪:৩৪, জুন ২৮, ২০২০

'এসেছে নতুন সিজন, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান'। এই উক্তিটি বর্তমানে যে সিরিজটার জন্য সব চেয়ে বেশি প্রাসঙ্গিক, সেটার নাম- ডার্ক। নামের মতই গভীর ডার্ক এই সিরিজের প্লট এবং সেটিং। তবে নাম করণের স্বার্থকতা একদম চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে সিরিজটার তিন নম্বর সিজন। ডার্কের সিজন থ্রি এতটাই ডার্ক যে, দর্শকরা রীতিমত চোখে অন্ধকারই দেখছেন। তবে এ যুগের ছেলেমেয়েরা হাত অথবা সিরিজ কোনোটাই গুটিয়ে বসে নেই। ওরাও ঝাপিয়ে পড়েছে ডার্ক বুঝার কোল্ড ওয়ারে৷ এমনকি অনেকে ডার্ক বুঝতে বাসায় বুয়েটের ভাইয়ার কাছে বসে দেখা শুরু করেছে এই আলোচিত সিজন থ্রি।

অনুসন্ধানী রিপোর্ট করতে আমরা ছুটে যাই বুয়েট সংলগ্ন পলাশীর মোড়ে। সেখানে বুয়েটের ভাইয়াদের ব্যস্ত আনাগোনাই বলে দেয়, শহরে কিছু একটা ম্যাজিক্যাল ঘটতে চলেছে। এ সময় চলমান একজন বুয়েটের ভাইয়ার সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি হন্তদন্ত হয়ে যেতে যেতে বলেন, 'টাইম নেই ব্রো। পড়াই তিরিশ মিনিট, ওদিকে একটা এপিসোডই প্রায় ৫০ মিনিট। পরে কথা বলি ব্রো?'

ওখানে অন্য একজন ভাইয়া অবশ্য আন্তরিকতার সাথেই সময় দিলেন। তিনি বুঝিয়ে দিলেন- কেন সিজন থ্রি বুঝতে বুয়েটের ভাইয়াদের দরকার হচ্ছে। সিজন থ্রিতে সাইন্সটা একটু বেশি এমনটা উল্লেখ করে বুয়েটের ওই ভাইয়া বলেন, 'এতদিন একটা দুনিয়ার হিসাব হইলেও সিজন থ্রিতে করতে হয় দুইটা দুনিয়ার হিসাব। অর্থাৎ, অংকগুলাও দ্বিগুণ, বইও দ্বিগুণ। মূলত এজন্যই এই হিসাবটা বুয়েটের ভাইয়া ছাড়া অন্য কেউ বুঝাতে পারবে না।'

ওদিকে ছেলেমেয়েরাও প্রচন্ড নিষ্ঠা আর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা সহকারে বুঝতে চেষ্টা করছে সিজন থ্রি আসলে কী! বুয়েটের ভাইয়ার কাছে সদ্য সিজন থ্রি দেখা শেষ করেছে এমন একজন ছাত্রের কাছে আমরা 'কী বুঝলে?' জানতে চাইলে সে মাথা ঘুরে পড়ে যায়। এ সময় তাকে আবারো চোখে মুখে পানি দিয়ে ল্যাপটপের সামনে বসানো হয়। তবে বুয়েটের ওই ভাইয়া আত্মবিশ্বাসী হাসি দিয়ে বলেন, 'ওর মেধা আছে। কিন্তু বেশিক্ষণ দেখে না। এটাই সমস্যা।'

৫৮৯৭ পঠিত ... ১৪:৩৪, জুন ২৮, ২০২০

Top