কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বন্ধ থাকায় আটকে গেলো করোনার দ্বিতীয় ঢেউ

২০২ পঠিত ... ১৬:১৮, এপ্রিল ০২, ২০২১

Second wave (1)

বৃহস্পতিবার এক জরুরি বৈঠকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতসহ জেলার সকল বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন। তবে খোলা থাকবে হোটেল মোটেল ও রেস্তোরা। ১ এপ্রিল মাঝরাত থেকে কার্যকর হবে এই সিদ্ধান্ত, চলবে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত।

এদিকে কিছু সমুদ্রবিজ্ঞানীদের কাছ থেকে জানা গেছে, করোনার ওয়েভ মূলত কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত থেকেই আসে। সুতরাং সি-বিচ বন্ধ করে দেয়ায় আটকে যেতে পারে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ। বইমেলা, বিসিএস পরীক্ষা, মেডিকেল পরীক্ষা যা-ই চলুক না কেন, সেকেন্ড ওয়েভ কক্সবাজারে আটকে যাওয়ায় থাকছে না করোনার ঝুঁকি।

এ প্রসঙ্গে এক মেডিকেল পরীক্ষার্থী বলেন, 'আজকে পরীক্ষার সময় যে ভিড় দেখলাম, কক্সবাজারে সর্বোচ্চ ট্যুরিস্ট থাকলেও এত ভিড় হওয়া সম্ভব না। তবে ঝুঁকির কিছু দেখছি না। কারণ কক্সবাজার তো বন্ধ, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসবে কীভাবে?'

একই ধরনের মতামত জানালেন এক ভ্রমণপিপাসুও। মাস্ক না পরলেও সানগ্লাস পরে থাকা ভদ্রলোক সানগ্লাস খুলে বলেন, 'লোকাল বাসে সামাজিক দূরত্বে ঠেলাঠেলি করে উঠে গাবতলী গেসি, সেখান থেকে বাসে উঠে যাবো কক্সবাজার। কুমিল্লা এসে জানলাম কক্সবাজার বন্ধ! তবে ভালোই হয়েছে, এখন কুয়াকাটা যাবো। ওখানকার সমুদ্রে নিশ্চয়ই করোনার ঢেউ আসবে না।'

অন্যদিকে কক্সবাজার বন্ধ থাকায় নড়েচড়ে বসেছেন সাজেকের রিসোর্ট মালিকরা। একজন জানালেন, 'সমুদ্র যেহেতু বন্ধ, মাইনসে পাহাড়ে আসতে পারে। আর রিস্ক তো সমুদ্রে, পাহাড়ে তো দ্বিতীয় তৃতীয় কোনো ঢেউইয়েরই রিস্ক নাই।'

 

২০২ পঠিত ... ১৬:১৮, এপ্রিল ০২, ২০২১

Top