ব্যাডমিন্টন খেলার যে ১০টি দেশি নিয়ম বিদেশিরা জানে না

৮৬৫ পঠিত ... ১৬:৩৯, নভেম্বর ১১, ২০২০

শীত এলেই বা আসি আসি করলেই পাড়া-মহল্লায় ব্যাডমিন্টন খেলার ধুম পড়ে। বাসার সামনের রাস্তায়, লোকাল মাঠে কিংবা বাসার ছাদে যেসব নিয়মে ব্যাডমিন্টন খেলা হয়, তা যদি আন্তর্জাতিক বিশ্বের কেউ জানতে পারে তাহলে চা-চপ-সিঙ্গারার সাথে সেটাও রেকর্ডবুকে ঢুকে যেতে পারে। চলুন জেনে নিই ব্যাডমিন্টন খেলার এমনই কিছু হান্ড্রেড পার্সেন্ট দেশি সিস্টেম, যা বিদেশিরা আদৌ জানে না!

১# দুই প্লেয়ারের মাঝখানে নেটের কোনো দরকার নাই। দুইটা ইট, জুতা স্যান্ডেল বা হালকা দাগ দিয়ে একটা লাইন বানিয়ে সেটাকেই নেট মনে করে খেলা যাবে।

২# নেটের ফুঁটা দিয়ে (যদি নেট থাকে) কর্ক চলে গেলে বিপক্ষে দলের খেলোয়াড় যদি না দেখে সেক্ষেত্রে পক্ষ দল এক পয়েন্ট পাবে। দেখলেও সমস্যা নেই, যে তর্কাতর্কিতে জিতে যাবে পয়েন্ট তার।

৩# যে দল হেরে যাবে তারা মাঠ ছেড়ে দিবে, জয়ী দল প্রতি ম্যাচ জয় সাপেক্ষে শতাব্দীর পর শতাব্দী খেলে যাবে।

৪# প্রথম সার্ভ নেটে লাগলে সেটা ব্যাটের দোষ বলে গণ্য হবে। এবং দ্বিতীয়বার সার্ভ করার সুযোগ পাওয়া যাবে।

৫# একই কোর্টে থেকে কেউ একাধিক ম্যাচ জিতে গেলে তাদের কোর্ট পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক করা হবে।

৬# সাইজে লম্বারা খাটোদের সাথে খেললে কিংবা ভালো খেলোয়াড় অপেক্ষাকৃত খারাপদের সাথে খেললে সে স্মেশ (চাপ) দিতে পারবে না।

৭# যে খেলোয়াড় বেশি বেশি 'চাপ' দেয় কর্ক নষ্ট করার দায়ে তাকে কিছুদিনের মধ্যে মাঠে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হবে। খেলতে আসলেও সে নিজের কর্ক নিয়ে আসতে হবে।

৮# যাদের ব্যাট তারা আগে খেলবে। খেলতে খেলতে তারা বিরক্ত হয়ে গেলে অন্যরা সুযোগ পাবে।

৯# ছাদে বা বারান্দায় খেলার ক্ষেত্রে মাঠের মাপের কোন স্ট্যান্ডার্ড নাই। যার যতটুকু জায়গা আছে ততটুকুই স্ট্যান্ডার্ড, দুই পাশে সমান জায়গা থাকলেই চলে।

১০# ক্যাম্পাসের পলিটিক্যাল বড় ভাইয়ের সাথে কোনভাবেই জেতা যাবে না। প্রয়োজনে স্বেচ্ছায় পরাজয় বরণ করে নিতে হবে।

৮৬৫ পঠিত ... ১৬:৩৯, নভেম্বর ১১, ২০২০

Top