শীঘ্রই বাংলাদেশে মাস্ক ব্যবসায় নামতে চান ইলন মাস্ক

৩৫৭ পঠিত ... ২০:৫৫, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২০

করোনা ভাইরাসাতঙ্কের এই দিনগুলোতে দেশে কিংবা বিদেশে যে বস্তুটির সবচেয়ে বেশি চাহিদা, তার নাম মাস্ক। অডোমসের মতো মাস্কও নিজের দাম বাড়িয়ে নেওয়ায় তাকে পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও। এমনকি সামনে টাকা ঝুলিয়ে রাখার পরও মাস্ক ব্যবসায়ীরা মাস্ককে অন্দরমহল থেকে বের করছেন না। 

কিন্তু বাঁচতে হলে যেমন জানতে হবে, তেমন মাস্কও পরতে হবে। তাই মুখে কোনোরকম একটি ন্যাকড়া জড়িয়ে মাস্কের সন্ধানে নেমে পড়ে eআরকি টিম। ফুটপাত, সুপার শপ থেকে শুরু করে ফার্মেসি, কোথাও মাস্ককে না পেয়ে হতাশ হওয়ার এক পর্যায়ে আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স এর বদৌলতে আমাদেরকেই খুঁজে বের করেন মাস্ক। তবে সেই মাস্ক হলেন টেসলা খ্যাত ‘টেকবিদ’ ইলন মাস্ক।

 

আমাদেরকে কোনো প্রশ্ন করার সুযোগ না দিয়ে মাস্ক পরা অবস্থায় আমাদের ভিডিও কল দেন ইলন মাস্ক। কল দিয়েই ‘পাইলাম আমি ইহাকে পাইলাম’ বলে চিৎকার করে উঠেই ইলন মাস্ক বলতে শুরু করেন, ‘টেসলা ও স্পেস এক্স-এর বদৌলতে পৃথিবীর মানুষ অনেক আগেই আমার সার্থকতা খুঁজে পেয়েছে। কিন্তু আমি নিজে এতদিন নিজের নামের সার্থকতা খুঁজে পাই নাই। করোনা ভাইরাসের বদৌলতে এতদিনে তা পেলাম।’   

কেমন সেই সার্থকতা? জানতে চাই আমরা। মাস্ক জানান, ‘টেসলা ও স্পেস-এক্স দিয়ে আমি এতদিন মানুষের মৌলিক চাহিদায় ঢুকতে পারছিলাম না। সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের বদৌলতে আমি সরাসরি মানুষের মৌলিক চাহিদায় ঢুকে পড়ছি।’ মানুষের ৫ টি মৌলিক চাহিদার সাথে মাস্ক যোগ করার জন্য করোনা ভাইরাসকে ধন্যবাদও দেন তিনি। 

নিজের নামের সার্থকতা তো খুঁজে পাইলেন, এখন করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আপনি কী প্রদক্ষেপ নিচ্ছেন জানতে চাইলে ইলন মাস্ক আমাদের বলেন, ‘আমার যেহেতু ডিজিটাল কারবার সেহেতু আমি স্মার্ট মাস্কের ব্যবসায় নেমেছি। আর আমার এই স্মার্ট মাস্কের নাম রেখেছি e-লন মাস্ক।’

মাস্কের নামে হালকা বাংলা রাখার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের প্রতি আমার একটি আলাদা ভালো লাগা আছে। শুনেছি বাংলাদেশে নাকি মাস্কের দামও বাইড়া গেছে। এটা বাংলাদেশের মানুষের জন্য আমার পক্ষ থেকে ছোট্ট একটা ট্রিবিউট।’

বাংলাদেশের মানুষের বিশেষ সুবিধার জন্য e-লন মাস্ক এর বিশেষ কিছু ফিচারের কথাও জানান তিনি। এই বিশেষ e-লন মাস্ক পরে সিগারেট খাওয়া যাবে। বিশেষ ব্রেইন সেন্সরের মাধ্যমে এই মাস্ক পরার ফলে চুমু খাওয়ার অনুভূতিও পাওয়া যাবে। তবে এই মাস্ক পরে ঘুষ, দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট করে পাওয়া টাকার স্বাদের অনুভূতি দিতে পারবেন না বলে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। 

বাংলাদেশের সব মানুষকে মঙ্গলে নিয়ে যেতে পারছেন না বলেও তিনি দুঃখ প্রকাশ ইলন মাস্ক। তিনি বলেন, ‘এইসব ভাইরাস টাইরাসের কারণে পৃথিবী খুব দ্রুতই আর বাসযোগ্য থাকবে না। কিন্তু আমার সামর্থ্য আর বাংলাদেশের মানুষের সামর্থ্যের কথা বিবেচনায় আমি ভেবে দেখেছি, বাংলাদেশের সব মানুষকে মঙ্গল গ্রহে নিয়ে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না। যদিও কিছু মানুষ নিতে চাই। তবে যাদেরকে নিতে পারবো না তাদের জন্য আমি মাস্ক রেখে যেতে চাই। এই মাস্কের মাধ্যমেই আমি চিরদিন থেকে যেতে চাই মানুষের মুখে মুখে।’

৩৫৭ পঠিত ... ২০:৫৫, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২০

Top