ফেসবুকে চাকমার পাশাপাশি নোয়াখাইল্লা ভাষা যুক্ত করার দাবি তুললেন নোয়াখালীবাসীরা

১৪৪ পঠিত ... ২০:৩৭, আগস্ট ১৮, ২০১৯

বাংলাদেশের দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে ফেসবুকে বাংলার পর যুক্ত হয়েছে চাকমা ভাষা। বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে ১০-১৫ লাখ চাকমা রয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ফেসবুকে চাকমা ভাষায় তারিখ, সময় ও সংখ্যা দেখা গেলেও খুব শীঘ্রই মাতৃভাষায় লিখতে পারবেন চাকমা ভাষাভাষীরা।

তবে এই খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর নোয়াখালীজুড়ে শুরু হয়েছে নতুন আন্দোলন। ফেসবুকে এবার নোয়াখাইল্লা ভাষা সংযুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন তারা। 'নোয়াখালী বিভাগ চাই' আন্দোলন কিঞ্চিত স্তিমিত হয়ে আসলেও 'নোয়াখাইল্লা ভাষায় ফেসবুক চাই' আন্দোলন নিয়ে আবারও জ্বলে উঠলেন বাংলাদেশের জাপানখ্যাত এই অঞ্চলের অধিবাসীরা।

নাম বললেও আমরা বুঝতে পারিনি (নোয়াখাইল্লা ভাষায় বলেছিলেন) এমন একজন নোয়াখাইল্লা বলেন, 'ফেসবুকে যদি সাকমা ভাষা আইত হারে তো আঙ্গো নোয়াখাইল্লা আইতো ন কিল্লাই? সাকমাগো তন নোয়াখাইল্লা কি কম নি? আঙ্গো ভাষা বাংলাদেশের অইন্যতম সমৃদ্ধ এককান ভাষা। বাংলাদেশের দুই নম্বর ভাষা হিসাবে নোয়াখাইল্লা ভাষারই শীকৃতি হাওন উসিত। কিন্তু, এমা! আন্নেরা বেগগুনে এইটা লই ট্রল করেনের।' (সাবটাইটেল: ফেসবুকে যদি চাকমা ভাষা আসতে পারে, তাইলে নোয়াখাইল্লা এড করবে না কেন? চাকমাদের চেয়ে নোয়াখাইল্লা কি কম নাকি? আমাদের ভাষা বাংলাদেশের অন্যতম সমৃদ্ধ একটি ভাষা। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে নোয়াখাইল্লারই স্বীকৃতি পাওয়া উচিত। অথচ আপনারা এইটা নিয়ে ট্রল করেন!)

অতীতে নোয়াখালী বিভাগ চাই আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী উত্তেজিত হয়ে বলেন, (বাংলায় অনুদিত) 'আমরাও তো মাতৃভাষায় লিখতে পারতেছি না, পড়তে পারতেছি না। আমাদের কথা ভাবার কি কেউ নেই?'

এ পর্যায়ে তিনি খুব আবেগপ্রবণ হয়ে 'আমি বাংলায় গান গাই' গানটি নোয়াখাইল্লা ভাষায় গাইতে শুরু করেন।

ফেসবুকে নোয়াখাইল্লা ভাষা সংযুক্ত করার আন্দোলনের কর্মসূচি কেমন হবে, তাও জানালেন একজন নোয়াখালীবাসী। প্রাথমিকভাবে ফেসবুকের নানান পোস্ট ও মার্ক জাকারবার্গের প্রোফাইল পিকচারে 'নোয়াখাইল্লা ভাষায় ফেসবুক চাই' লিখে কমেন্ট করেই আন্দোলন চলবে। তাতে কাজ না হলে সামনে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার পরিকল্পনাও জানিয়েছেন নোয়াখালীর কয়েকজন।

১৪৪ পঠিত ... ২০:৩৭, আগস্ট ১৮, ২০১৯

Top