যে ছয়টি কারণে খালেদ মাহমুদ সুজনেরই হেডকোচ হওয়া উচিত

১৩১৫ পঠিত ... ২০:০৪, জুলাই ১৭, ২০১৯

সর্বকালের সেরা বিশ্বকাপ স্কোয়াড নিয়ে ইংল্যান্ডে গিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। কিন্তু মাত্র ৩টি জয় নিয়ে দশ দলের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অবস্থান ৮ম। ব্যর্থতার দায়ে বিশ্বকাপ শেষে প্রথমে বিদায় জানানো হয় বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালসকে। আর তারপর বিদায় জানানো হয় হেড কোচ স্টিভ রোডসকে। দলের কোচশূন্য অবস্থায় আসন্ন শ্রীলংকা সফরে নতুন কোচ কে হবে তাই নিয়ে যখন চলছিল কানাঘুষা-দুশ্চিন্তা তখনই প্রকাশিত হলো নতুন হেড কোচের নাম। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার বিধ্বংসী মিডিয়াম পেসার, দুর্ধর্ষ ব্যাটসম্যান, তুখোড় ফিল্ডার গতিদানব খ্যাত খালেদ মাহমুদ সুজন। 

 

এই খবর প্রকাশের পর থেকেই আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়ে গেছে ক্রিকেটজগতে। তার মাঝে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘমেয়াদি কোচিংয়ের আশা ব্যক্ত করেছেন। তো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যখন অনেকেই সন্দিহান খালেদ মাহমুদ সুজনের কোচিং বাংলাদেশ দলের জন্য ঠিক কেমন হবে, তখনই রাতুল খান দূর করে দিয়েছেন সব সন্দেহ। তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন, গতিদানবখ্যাত এই সাবেক বিধ্বংসী ক্রিকেটার বাংলাদেশ দলের জন্য প্রয়োজন।  

 

১# অলরাউন্ডার সুজন

গতিদানব (গদা) সুজন ভাই একজন জেনুইন অলরাউন্ডার এবং চৌকষ ফিল্ডার। কাজেই তাকে হেডকোচ হিসেবে নিয়োগ দেয়ার ফলে আলাদা করে ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং কোচের প্রয়োজন হবে না। প্রয়োজন হবে না ফিজিওরও। ফলে বিসিবির বেঁচে যাবে অনেক টাকা। এই টাকা দিয়ে তারা নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা স্টেডিয়ামে মৌসুমি শাক সবজি চাষ করতে পারবে।

 

২# ম্যানেজার সুজন

গতিদানব সুজন অতীতে অনেকবার ম্যানেজারের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন। কাজেই তিনি হেড কোচ হওয়ায় আলাদা করে ম্যানেজার নেয়ার দরকার পড়বে না। যিনি কোচ তিনিই ফিজিও, আবার তিনি ম্যানেজারও (বহুব্রীহি কর্মধারয় তৎপুরুষ সমাস)।

 

৩# ক্যাসিনো কিং সুজন

আমরা জানি গদা সুজন একজন দক্ষ পোকার খেলোয়াড়। কাজেই তরুণ ক্রিকেটারেরা যাতে বিদেশের ক্যাসিনোতে আনাড়ির মত জুয়া খেলে সর্বস্বান্ত না হয়ে যায়- এ ব্যাপারে বিভিন্ন টিপস দিয়ে পিতার মত একজন দক্ষ অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। 

 

৪# নাগিন ড্যান্সার সুজন

আমাদের খেলোয়াড়েরা ম্যাচ জয়ের পর প্রায়ই নাগিন নৃত্য করেন। কিন্তু নাগিন ড্যান্সের স্টেপগুলো ঠিকঠাক জানা না থাকায় প্রায় সময়ই বিদেশের মাটিতে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়। আর কে না জানে, আদতে ‘বেলি ড্যান্সার’ হলেও গদা সুজন নাগিন নাচেও সমান পারদর্শী।

 

৫# টু ইন ওয়ান বোলার সুজন

খেলোয়াড়ি জীবনে ফাস্ট বোলার হলেও তার বোলিংয়ের মায়াবী গতির কারণে আলাদা করে স্পিন বোলিং কোচ নিতে হবে না। তিনিই হবেন স্পিন বোলিং কোচ।

 

৬# গতিদানব সুজন

গতিদানব সুজন, সংক্ষেপে গদা সুজন ভাইয়ের বলের গতি ছিল অদ্ভুত রকমের মায়াবী। তার বোলিংয়ের গতি নিয়ে কিংবদন্তি প্রচলিত আছে যে, ডেলিভারি দেবার পর যদি তিনি বুঝতে পারতেন যে, বল খারাপ হয়েছে, তাহলে তিনি দৌড়ে গিয়ে পিচের মাঝ থেকেই সেই বল ফিরিয়ে আনতেন এবং নতুন করে আবার ডেলিভারি দিতেন। এই যুগান্তকারী বোলিং টেকনিক তিনি মুস্তাফিজ-রুবেলদের শিখিয়ে দিয়ে তাদের বিশ্বমানের ফাস্ট বোলারে পরিণত করতে পারবেন।

১৩১৫ পঠিত ... ২০:০৪, জুলাই ১৭, ২০১৯

Top