ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পর এবার অগ্রিম ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন করলো ক্রাউন সিমেন্ট

১৪৬১ পঠিত ... ২২:৩৬, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯

জাতি হিসেবে আমরা বড়ই উৎসব প্রিয়। এতটাই প্রিয় যে উৎসব আমাদের কাছে আসা লাগে না, বরং আমরা উৎসবকে আমাদের কাছে টেনে নিয়ে আসি। এ বছর এপ্রিলে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ১৪২৬ সালের বাংলা নববর্ষের উৎসব পালন করে ফেলেছিলো নববর্ষ আসারও এক সপ্তাহ আগে। তাদের দেখাদেখি এবার ক্রাউন সিমেন্ট ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন করে ফেললেন একদম অর্ধমাস আগেই।

সম্প্রতি একটি কন্সট্রাকশনের কাজে ব্যবহৃত হতে থাকা এক বস্তা ক্রাউন সিমেন্টের গায়ে উৎপাদন তারিখের স্থলে 'জানুয়ারি ২০২০' সাল লেখা দেখা যায়। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের পর আবারো নতুন বছর আসার আগেই উৎসবের এমন আমেজ দেখে একে অন্যকে হ্যাপি নিউ ইয়ার বলে নিজেদের মধ্যে একদফা কোলাকুলি সেরে নেন eআরকি উৎসব উদযাপন দল। এরপরই তারা মাথায় ক্রাউন পরে ক্রাউন সিমেন্টের সেই বস্তার দিকে রওয়ানা দেন।

ক্রাউন সিমেন্টের এই বস্তার কাছে পৌঁছালে সেখানেও বেশ উৎসব উৎসব আমেজ দেখা যায়। আমরা সেখানে পৌঁছানো মাত্র কর্তব্যরত এক উদযাপক আমাদের মুখে ঠেসে মিষ্টি ঢুকিয়ে দিয়ে বলেন, 'লুক স্যার... আমাগো বস্তা, ইংরেজগো নতুন বছর! মাগার কারবার দেখছেন? আমরাই আগে পালন কইরা ফালাইছি! এরেই কয় ওস্তাদের মাইর ভোররাতে! হেহেহে... উই আর ভেরি প্রাউড স্যার!'

এদিকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির একটি ফেক পেইজ থেকে ক্রাউন সিমেন্টের এই অগ্রিম নববর্ষ উদযাপনের বিরুদ্ধে ফেসবুকীয় কার্টেসি আইন ভঙ্গের অভিযোগ তুলে একটি স্ট্যাটাস দিতে দেখা যায়। সেই স্ট্যাটাসে ক্রাউন সিমেন্টকে আইডিয়া চোর বলে আখ্যা দিয়ে দলেবলে ক্রাউন সিমেন্টের এই উদযাপনের বিরুদ্ধে গণহারে রিপোর্ট মারার আহবানও জানানো হয়।

তবে এদিকে বছর আসার আগেই বছর টেনে নিয়ে আসার ব্যাপারটিকে টাইম ট্রাভেলের সাথে তুলনা করে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার পক্ষ থেকে ক্রাউন সিমেন্টের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়। এবং নাসার টাইম মেশিন প্রজেক্টে ক্রাউন সিমেন্ট ব্যবহার করারও আশ্বাস দেন তারা।

১৪৬১ পঠিত ... ২২:৩৬, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯

Top