দেশে এত গরম কেন?

১৫৩ পঠিত ... ১৬:১৫, এপ্রিল ০৬, ২০২৪

13 (6)

লেখা: সাইকা তাজরিন জ্যোতি

আজকে বাংলাদেশের তাপমাত্রা দেখলাম ৩২ ডিগ্রী সেলসিয়াস আর রিয়েল ফিল ৩৯ ডিগ্রি। এটা দেখে একটু হার্টফেইল করার মত অবস্থা হল।

যাই হোক, এপ্রিল আসতে না আসতেই কী কারণে এই অবস্থা জানার জন্য একটা আর্টিকেল পড়লাম যে বাংলাদেশের এই গরম হচ্ছে গাছকাটা আর ওয়েটল্যান্ড ধ্বংস করার ফলাফল।

এই অঞ্চলের উপরে যে উইন্ড কারেন্ট, সেইটা মুভ না করে এক জায়গায় স্থির থাকে, কোনো গাছপালা ওয়াটার বডি না থাকায় এই উত্তপ্ত হিউমিডিটিকে কোনোকিছু এব্জর্ব করতে পারে না। আবার উইন্ড কারেন্ট অচলাবস্থায় থাকায় মাটি থেকে উঠে আসা হিটও ট্র‍্যাপড হয়ে পড়ে। তাই বাংলাদেশের গ্রীষ্মকাল লিটারেলি উপরে ঢাকনা বন্ধ করা একটা প্রেশার কুকারের মত আবহাওয়া ক্রিয়েট করে। The worst thing is, this will get worse with time in the coming future.

তারচেয়েও বাজে ব্যাপার হচ্ছে এই এক্সট্রিম তাপমাত্রা হচ্ছে আপনাদেরই নিজ হাতে তৈরি করা। এইটা মানবসৃষ্ট প্রাকৃতিক বিপর্যয়।ঢাকার মালিবাগ আর রমনাপার্ক দুইটা এলাকায় গেলেই পার্থক্য বুঝবেন যে শুধুমাত্র গাছের প্রাচুর্যের কারণেই কিভাবে একই শহরের দুইটা এলাকায় অস্বস্তিকর গরমে পার্থক্য হতে পারে!

সুতরাং সামার লাভারদের গালাগাল না করে বনখেকো আর ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টদের পিছনে লাগেন। গাছ লাগানোর আন্দোলন শুরু করেন। তাইলেই হয়তোবা আর এক দশকের মধ্যে নিজেদের উদ্ধার করতে পারবেন।

বি.দ্র: এখানেও সরকার vs জনগণের দায়িত্বের আলাপ আসবে। মনে রাখবেন, দেশে নিয়মতান্ত্রিক উন্নয়নের দায়িত্ব সবসময়ই সরকারের। গাছকাটা আর ওয়েটল্যান্ড ধ্বংস করার বিরুদ্ধে অন্যান্য দেশের মত কঠোর আইন আর তার প্রয়োগ থাকলে আজকে আর এই দিন দেখতে হতনা বাংলাদেশের মানুষের। সরকার ব্যবস্থা যেহেতু dysfunctional, নিজেরাই গাছ লাগানোর ব্যবস্থা করেন। এছাড়া আর কী করবেন?

১৫৩ পঠিত ... ১৬:১৫, এপ্রিল ০৬, ২০২৪

আরও eআরকি

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

কৌতুক

রম্য

সঙবাদ

স্যাটায়ার


Top