বিধি তুমি বলে দাও আমি কার: শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের চেয়ার

৩১৮ পঠিত ... ১৮:০৬, মার্চ ০৭, ২০২২

Bidhi-tumi-bole-dao

সপ্তমবারের মত আবারও আদালতের রায়ে পরিবর্তিত হলো শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের পদ। বিষয়টি নিয়ে দেশ ও দেশের বাইরের মানুষদের উত্তেজনার শেষ নেই। এই পদ নিয়ে চিন্তায় আছেন আরও একজন। তিনি হচ্ছেন শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের চেয়ার। এমন পরিস্থিতিতে কেমন আছেন তিনি? কী ভাবছেন? ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? সেসব নিয়ে চেয়ারটির সাথে কথা বলেছি আমরা।  

: কেমন আছেন?

: আগে বলেন, আপনার কোন পক্ষের লোক? নিপুণ ম্যাম নাকি জায়েদ স্যার?

: আমরা eআরকির লোক ভাই।

: অহ। বলেন।

: বলতেছি, ভালো আছেন?

: আমার কোন ভালো খারাপ নাইরে ভাই। আমার আছে জায়েদ, নিপুণ। জিজ্ঞেস করেন জায়েদ আছি নাকি নিপুণ আছি।

: হ্যাঁ, ওইটাই। জায়েদ আছেন নাকি নিপুণ আছেন?

: নিপুণ আছি। না মনে হয় জায়েদ। না, না নিপুণই তো আছি মনে হয়! জানি না ভাই। বাদ দেন। বুঝতেছি না।

: আপনাকে নিয়ে এই যে টানাটানি। কেমন ফিল করছেন?

: মোটেও ভালো ফিল করছি না। আমার তো একটা মন আছে। এত দ্রুত মুভঅন করতে তো আমারও সমস্যা হয়। জায়েদের সাথে মানিয়ে নিলে আসছে নিপুণ, নিপুণের সাথে মানিয়ে নিলে আবার আসছে জায়েদ। জীবনটা ত্রিভুজ প্রেমের মত হয়ে গেছে।  

: সামলাচ্ছেন কীভাবে?

: প্রথম প্রথম বেশ সমস্যা হতো। বুঝে উঠতে পারতাম না কে বসলো। এখন গায়ের গন্ধ শুঁকলেই বুঝে যাই। নিজেকে ওভাবে মানিয়ে নেই আরকি। কিন্তু টানাটানিতে সমস্যা হচ্ছে একটু।

: কেমন সমস্যা?

: বাম হাতলে একটু সমস্যা। মনে হয় মচকে গেছে। জানি না আর কতদিন সহ্য করতে পারবো। শইল্লের ব্যথা না হয় সহ্য করা যায়। সংসারেরও ঝামেলা লেগে গেছে।

: সংসারে কেমন ঝামেলা?

: অন্য একটা চেয়ারের সাথে আমার প্রেম অনেক দিন। আমার সাথে একজন সাধারণ সম্পাদকের সম্পর্ক ও প্রথমে মেনে নিছিলো। এখন ঘনঘন দুজন চেঞ্জ হচ্ছে। ও সন্দেহ করছে অনেক। মনে হয় ব্রেকাপ হয়ে যাবে।

: তো, এমন কঠিন সময় পার করার জন্য কী করছেন?

: গান শুনতেছি। ‘বিধি তুমি বলে দাও আমি কার।‘ এই গানটা ইদানিং অনেক ভালো লাগে। শুনলেই চোখ দিয়া পানি পড়ে।

: এমন পরিস্থিতির জন্য আপনার নিজের কোন পরামর্শ আছে কিনা?

: পরামর্শ রাখেন। শুধু বলতে চাই, আমার মন নিয়া ছিনিমিনি খেলবেন না। চেয়ার হলেও আমার একটা মন আছে।  

: সভাপতির চেয়ারটার সাথে আলাপ হয়?

: ও তো একটা বদমাশ। আমাকে বুলিং করে। অপয়া বলে ডাকে। ওইদিন তো বারোভাতারি বলছে। শুধু হাতে সমস্যা, নইলে কষে একটা চড় দিতাম। তবে কাঞ্চন ভাই স্বান্তনা দেয়।  

: কাঞ্চন ভাইয়ের সাথে আপনার কথা হয়?

:হ্যাঁ। উনি নিজেও আমার মত। অসহায়। ওইদিন বেশ কষ্ট নিয়ে বলতেছিলো, আমার সড়ক আন্দোলনই ভালো ছিলো রে। এইসব আর ভাল্লাগে না। আমার মাথায় হাতও বুলিয়ে দিছিলো। বসতে চাইছিলো, কিন্তু আমি দেই নাই।

৩১৮ পঠিত ... ১৮:০৬, মার্চ ০৭, ২০২২

আরও

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

স্যাটায়ার


Top