মানুষ মূলা খায় বেশি, বায়ুদূষণ তো হবেই! আমাদের কী দোষ?

১০২ পঠিত ... ১৬:১৯, জানুয়ারি ০৪, ২০২৪

412463581_7073193192740715_8676816428212685972_n

সম্প্রতি দৈনিক পত্রিকায় এসেছে ২০২৩ সালে ঢাকার মানুষ মাত্র ৮ দিন ভালো বায়ুতে নিঃশ্বাস নিতে পেরেছে। বায়ুদূষণের শীর্ষস্থান মোটামুটি নিজের করে নেওয়া ঢাকার মেয়ররা ঘটনাটিকে কীভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন সেটিই জানতে যোগাযোগ করা হয়েছিলো তাদের সাথে। বাস্তবে কথা বলতে রাজি না হলেও কাল্পনিক এক সাক্ষাৎকারে তারা বিষয়টি নিয়ে নিজের কিছু অভিমত শেয়ার করেছেন। চলুন সেগুলোই জেনে নেওয়া যাক।

 

প্রতিবেদক: ভাই মাস্ক পড়ে বসে আছেন কেন?

দক্ষিণের মেয়র: হিসাব বোঝো না? দুদু খাও? বেশি নাটক করলে টুপ করে বুড়িগঙ্গায় ডুবিয়ে নিয়ে আসব।

 

প্রতিবেদক: আরে ভাই রেগে যাচ্ছেন কেন? বুঝলাম বায়ুদূষণ আছে। কিন্তু মাস্ক পরার কী আছে? এই যে আমাদের দেখেন দিব্যি দিনের পর দিন কাটিয়ে দিচ্ছে এই শহরে। তবে আপনার সৌন্দর্যবর্ধন প্রজেক্ট কিন্তু চমেতকার।

দক্ষিণের মেয়র: হে হে, এই যে একটা ভালো কথা বলেছেন। শহরের মানুষকে মাঝেমধ্যে মনে হয় গার্লফ্রেন্ড। আমাদের সবকিছুতেই শুধু রাগ করে। এত বড় বড় জঙ্গল একটা শহরে কী ভালো লাগে বলেন? এখন দেখেন কী সুন্দর ফুলের বাগান মনে হয় ঢাকা দক্ষিণকে।

 

প্রতিবেদক: কথা সত্য, কিন্তু বায়ুদূষণ কমানোর বিষয়ে আপনাদের পরিকল্পনা যদি কিছু বলতেন।

উত্তরের মেয়র (কিছুটা তেতে গিয়ে): পরিকল্পনার কী আছে? এই শহরের মানুষ মূলা খায় বেশি, বায়ুদূষণ তো হবেই! আমাদের কী দোষ? মানুষ মূলা খাওয়া বন্ধ না করলে বায়ুদূষণ কোনোভাবেই কমানো যাবে না।

 

প্রতিবেদক: তাহলে বলছেন সব দোষ মূলার? গাছপালা কেটে ফেলা, নদী ভরাট, আনফিট যানবাহন কিংবা শিল্পকারখানা শহরের মাঝেই থাকা এগুলো কোন সমস্যা নয়?

উত্তরের মেয়র: তোর কি মরনের চুলকানি উঠছে, এত কথা কস ক্যা! এরপর তিনি নিজেকে কিছুটা সামলে নিয়ে বলেন, No comments।

 

প্রতিবেদক: আপনারা হুটহাট রেগে যান, এভাবে কী শহর চালানো সম্ভব? জনগণের কাছে তো জবাবদিহিতা করতেই হবে, তাই না?

দক্ষিণের মেয়র: জবাবদিহিতা কেন করতে হবে? WTF ব্রো। কেউ জবাব চাইলেই তাকে বুড়িগঙ্গায় ফেলে দিতে হবে, ভোট হবে রাতে আর কথা হবে হাতে।

 

এই বলে দক্ষিণের মেয়র শার্টের হাতা গোটাতে শুরু করলে আমাদের প্রতিবেদক সেখান থেকে ভয়ে পালিয়ে আসেন।

১০২ পঠিত ... ১৬:১৯, জানুয়ারি ০৪, ২০২৪

Top